তারাতলা কাণ্ডের পর পেরিয়েছে প্রায় ৭২ ঘণ্টা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ির পথে। তাঁদেরই একজন মানিক চাঁদ। গোডাউন বিপর্যয়ের সময় সেখানেই কাজ করছিলেন যুবক। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে বুধবার দুপুরের হাড়হিম করা কাহিনী শোনালেন তিনি। তাঁর মুখে শোনা গেল একদল ‘হৃদয়হীন’দের গল্প। মানিক বলেন, “উপরের দিকে তাকালাম, তারপর নিচে। আটকে পড়ে যখন চিৎকার করছি বাঁচার জন্য তখন এলাকার একাংশ উদ্ধারের চেষ্টা না করে রিল বানাচ্ছিল!” বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে সকলের কাছেই রিল যে একটা আসক্তি যে মানবিকতাকে ছাপিয়ে যাচ্ছে, তা ফের প্রমাণ করে দিল তারাতলার ঘটনা।
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিকভাবে কাম্য।]
