আরশোলাদের আড়ালে বিদেশি ‘নীল নকশা’, বাংলাদেশের কায়দায় ছাত্র আন্দোলন ‘হাইজ্যাক’ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের!

আরশোলাদের আড়ালে বিদেশি ‘নীল নকশা’, বাংলাদেশের কায়দায় ছাত্র আন্দোলন ‘হাইজ্যাক’ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের!

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত ছাত্রদের প্রতি সংহতি জানাতে বহু নিহাং শিখ আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া বহু ভিডিওয় শিখ স্বেচ্ছাসেবকদের যন্তর মন্তরে পৌঁছনোর দৃশ্য দেখা গিয়েছে। যত সময় যাচ্ছে, ততই যেন বদলে যাচ্ছে আন্দোলনের রূপরেখা। প্রশ্ন উঠছে, যে দাবি থেকে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, সেই ফোকাস কি সরে যাচ্ছে না? পাশাপাশি বাংলাদেশের কায়দায় ছাত্র আন্দোলন ‘হাইজ্যাক’-এর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বলে রাখা ভালো, নেপাল, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কাতে দেখা গিয়েছে কীভাবে দুর্নীতি, অর্থনীতি এবং অপশাসনের অভিযোগে যুব সমাজের ক্ষোভ উপড়ে ফেলেছে সেখানকার সরকারকে। যার নাম দেওয়া হয়েছে জেন-জির বিদ্রোহ। শাসক কিছু বুঝে ওঠার আগেই সবকিছু চলে গিয়েছে নিয়ন্ত্রণের বাইরে। পরিণতি ভয়ংকর অরাজকতা, হিংসা ও কিছু সুবিধাভোগীর ফায়দা। ডিপস্টেটের অদৃশ্য কারসাজিতে তৃতীয় বিশ্বে বহু দেশে সরকার বদলের এই ভয়াবহ ছবিটা নতুন নয়। নয়াদিল্লির আন্দোলনেও ডিপ স্টেটেরই ফাঁদ দেখছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

আরও পড়ুন:

প্রসঙ্গত, নিহাংরা এক স্বাধীনচেতা শিখ যোদ্ধা গোষ্ঠী। অতীতে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনায় পাঞ্জাবের চরমপন্থী বা খলিস্তানি আন্দোলনের সঙ্গে কিছু নিহাং গোষ্ঠীর নাম জড়ানোয়, যেকোনো বড় বিক্ষোভে তাদের অস্ত্রসহ উপস্থিতি দেখলেই সোশাল মিডিয়ায় ভেসে আসে খলিস্তানি যোগের তত্ত্ব। এক্ষেত্রেও তা আসছে। শেষপর্যন্ত কী দাঁড়াবে আন্দোলনের গতিবিধি, তা সময়ই বলবে। একদিকে ছাত্রদের আন্দোলন, অন্যদিকে আড়ালে বিদেশি ‘নীল নকশা’র আশঙ্কা- আপাতত সৃষ্টি করছে বহু প্রশ্ন।

কূটনৈতিক মহলের মতে, রাজনৈতিকভাবে দেশ যতক্ষণ স্থিতিশীল, অর্থনৈতিক অগ্রগতি জারি রয়েছে ততদিন বাইরের শত্রু দ্বারা দেশের কোনও বিপদ নেই। বিপদ যদি থাকে তবে তা ঘরের শত্রুর দ্বারা। ঠিক সেই আগুনের ফুলকিই যেন দৃশ্যমান বর্তমান পরিস্থিতিতে।
এদিকে ককরোচদের আন্দোলনে এখন শামিল বিরোধীরাও। বৃহস্পতিবার সন্ধে সাতটা নাগাদ লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এক্স হ্যান্ডেলে জানান, ইন্ডিয়া জোটের সাংসদ ও নেতারা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তিস জানুয়ারি মার্গের গান্ধী স্মৃতিতে জমায়েত হচ্ছেন। পরে তাঁরা সেখানে জড়ো হন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে তাঁরা রওনা দিয়েছেন ছাত্রদের আন্দোলনের দিকে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *