আধার-ভোটার-জাতির শংসাপত্র পাচ্ছেন না? SIR-এর আগে ডাউনলোড করুন এই পদ্ধতিতে

আধার-ভোটার-জাতির শংসাপত্র পাচ্ছেন না? SIR-এর আগে ডাউনলোড করুন এই পদ্ধতিতে

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: SIR নিয়ে রাজ্যবাসীর মনে হাজার হাজার প্রশ্ন। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম না থাকলে আধার, ভোটারের মতো ১১টি নথি দেখাতে হবে। কিন্তু যদি কোনও কারণে হারিয়ে গিয়ে থাকে আধার, ভোটার, জাতিগত শংসাপত্র? চিন্তার কোনও কারণ নেই। অনলাইনে কয়েক মিনিটেই ডাউনলোড করে নিতে পারবেন এই নথিগুলি। চলুন জেনে নিন পদ্ধতি। তবে মনে রাখবেন, ভোটার-আধারের ক্ষেত্রে মোবাইল নম্বর লিংক থাকা আবশ্যক।

আধার কার্ড ডাউনলোডের পদ্ধতি

১. প্রথমে www.uidai.gov.in-এ যান।
২. ‘আধার অনলাইন সার্ভিসেস’ নামের একটি অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
৩. পাবেন ‘রিট্রিভ লস্ট UID/EID’ অপশন। সেটি ক্লিক করলেই খুলে যাবে একটি নতুন পেজ। সেখানে আপনাকে নাম, ই-মেল আইডি, মোবাইল নম্বর দিন। জানিয়ে দিন হবে আপনি আধার কার্ড চাইছেন নাকি এনরোলমেন্ট নম্বর।
৪. এবার OTP অপশনে ক্লিক করুন। রেজিস্টার্ড মোবাইল অথবা ই-মেল আইডিতে পেয়ে যাবেন সেই OTP নম্বর। চটপট OTP সাবমিট করন। 
৫. ব্যস, আপনার কাজ শেষ। এবার নিজের মোবাইল ও ই-মেল চেক করে দেখুন আধার UID অথবা এনরোলমেন্ট নম্বরটি এসে গিয়েছে কিনা। তাহলে দেরি না করে ই-কপিটি ডাউনলোড করে ফেললেই ফের হাতে এসে যাবে আধার কার্ড।

ভোটার কার্ড ডাউনলোডের পদ্ধতি

১.প্রথমে গুগল প্লে স্টোর থেকে Voter Helpline অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে।
২.এই অ্যাপে গিয়ে ভোটার কার্ডে থাকা EPIC Quantity বা মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্টার করতে হবে।
৩.তারপর লগইন করুন।
৪.রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বর আর EPIC Quantity দিয়ে আপনার রাজ্য বেছে নিয়ে Fetch Particulars-এ ক্লিক করতে হবে।
৫.ব্যাস, এরপর অ্যাপের নির্দেশ মেনে ডাউনলোড করা যাবে ই-ভোটার কার্ড।

জাতিগত শংসাপত্র ডাউনলোডের পদ্ধতি

১. প্রথমে https://castcertificatewb.gov.in/- লিংকে ক্লিক করুন।
২. বেছে নিন SC/ST অপশন।
৩. ক্লিক করলেই পাবেন ‘ডাউনলোড সার্টিফিকেট’ অপশন।
৪. সার্টিফিকেট নম্বর ও আবেদনকারীর নাম দিন। ব্যস, আপনার কাজ শেষ। এবার ডাউনলোড করে নিন সার্টিফিকেট।

একনজরে  SIR-এ কোন ১১ টি নথি গ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছে কমিশন
১. সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পরিচয়পত্র
২. ১ জুলাই ১৯৮৭-র আগে জারি হওয়া কোনও সরকারি নথি
৩. বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া জন্ম সার্টিফিকেট
৪. পাসপোর্ট
৫. যে কোনও বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট (সাল, তারিখ উল্লেখ থাকতে হবে)
৬. স্থায়ী বাসিন্দা সার্টিফিকেট (জেলাশাসক বা সমতুল কারও দেওয়া)
৭. বনপালের সার্টিফিকেট
৮. কাস্ট সার্টিফিকেট
৯. এনআরসি অন্তর্ভুক্তির প্রমাণ (যেখানে প্রযোজ্য)
১০. পারিবারিক রেজিস্টার (রাজ্য সরকার বা প্রশাসন প্রদত্ত)
১১. সরকার প্রদত্ত জমি বা বাড়ির নথি (দলিল বা পর্চা)

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ







Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *