- মাধবী দাস
টানা বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটে জল জমে গিয়েছে। বারান্দার আধশুকনো জামাকাপড়ের ভ্যাপসা গন্ধে মেজাজটা বিগড়ে গিয়েছিল শ্যামলীর। ধূপকাঠি ধরিয়ে মোবাইলে প্রভাতি গান ছেড়ে দিতেই সকাল সকাল সুদেষ্ণাদির ফেসবুক পোস্টে চোখ জুড়িয়ে গেল তাঁর। গাছভরা লাল কাঞ্চন ফুলের ছবি দেখে আঙুলকে আর সামলে রাখতে পারেনি। কমেন্ট করে ফেলেছিল –
ডালে ডালে ফুটে আছে লাল কাঞ্চন ফুল।
সাত সকালে গুঁজতে মাথায় বেঁধে নিও চুল
সেই কমেন্ট দেখে সুদেষ্ণাদির সঙ্গে আরও একজন রিপ্লাই-কমেন্ট করেছিল- ‘ছবিটা কিন্তু আমার তোলা, তাই এই কমেন্টের ভাগ আমারও কিছুটা।’ রিপ্লাই করার আগে সেই প্রোফাইল সার্চ করে দেখল শ্যামলী। নীলাঞ্জন রায়। শিক্ষক, কবি ও সম্পাদক। তারপর এক সেকেন্ডও দেরি না করে একের পর এক পোস্ট স্ক্রল করে দেখেছিল, অপরূপ প্রাকৃতিক ছবির গায়ে ছোট ছোট কবিতা ছেপে দেওয়া। হঠাৎ চোখ থমকে গেল অমলতাসের ছবিতে। উজ্জ্বল হলুদ ফুলের গায়ে কালো অক্ষরে লেখা- অনুভূতিরা আঙুল ছুঁলে/ আসে বৃষ্টিমাস/
ঈশ্বর চিবুক ছুঁলে, জেনো পৌষমাস/
দেখো গাছে কত ফুটেছে অমলতাস!
ছোটবেলায় এই গাছ স্কুলে যাওয়ার পথে কত দেখেছে শ্যামলী। কেউ বলত ‘সোনালু গাছ’, কেউ বলত ‘বান্দর লাঠি।’ বৃষ্টিভেজা রাস্তায় পড়ে থাকা হলুদ বিছানার ওপর দিয়ে কত হেঁটে গিয়েছে তারা! কত সাইকেলের চাকা মাড়িয়ে গিয়েছে ফুলগুলোকে। তখন তো এত শোভাময় মনে হয়নি অমলতাসকে। মোবাইলটা হাতে নিয়ে তার মনে হচ্ছিল- ঝুলন্ত রেশমে সাজানো দীপ্তিময় পাপড়িগুলো স্ক্রিন থেকে বেরিয়ে চিবুক ছুঁয়ে দিতে চাইছে তার। যেন সুগন্ধে বিভোর করে, মনকে প্রজাপতির মতো চঞ্চল করে দিতে চাইছে।
কমেন্টের রিপ্লাই করবে ভেবে ব্যাকে আসতেই টুং করে মেসেজ ঢুকল- ‘হাই! আমি নীলাঞ্জন রায়। সবাই নীল বলে ডাকে। যদি ভুল না করি আপনি শ্যামলী।’
একটু অবাক হলেও বিষয়টা শ্যামলীর ‘মেঘ না চাইতে জলে’র মতো মনে হয়েছিল। ঠোঁট কামড়ে হেসে উত্তরে লিখে দিয়েছিল- ‘কেউ আমার নামকে কেটে শ্যাম ডাকার সাহস দেখায়নি আজ পর্যন্ত। নীলাঞ্জন লিখেছিল- ‘শ্যাম ডাকার সাহস না হতে পারে; শ্যামা তো ডাকা যেতেই পারে। অবশ্য অনুমতি পেলে।’ এত তাড়াতাড়ি অনুমতি দেওয়াটা হ্যাংলামো হবে ভেবে শ্যামলী বলেছিল- ‘আমারও সবাই ডাকে, এমন একটি নাম আছে। সেটা পিতৃদত্ত নাম- তুলি।’
– তাহলে ফোন নম্বর পেলে তুলি নামেই সেভ করব। তবে যে কথা বলার জন্য ইনবক্সে অনধিকার প্রবেশ, বলছিলাম কী তুলি ম্যাডাম, সুদেষ্ণাদির পোস্টে আপনার কমেন্ট দেখে মনে হল, লেখাটি যদি আপনার নিজের হয়, তাহলে আপনার কবিতার হাত শক্ত। আমার একটি পত্রিকা আছে। চাইলে কবিতা বা গল্প দিতে পারেন।
– লেখাটি আমারই। আগে বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি করতাম। এখন ওসব অতীত। এমএসসি পাশ করে বসে আছি প্রায় দশ বছর। বিএড করেছি। চাকরি হচ্ছে না। প্ল্যাটফর্মই খুঁজে পাচ্ছি না। কোন গাড়িতে উঠব, সেটা তো অনেক পরের কথা। এই মুহূর্তে কবিতা বা গল্প লেখার কথা ভাবতেই পারছি না। নমস্কার। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। কথা হবে আবার…
২
এর মধ্যে চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় আগের মতো থাকা হয় না শ্যামলীর। চাকরিটা পেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সে। ছোট একটা মুদি দোকান দিয়ে সংসার চালিয়ে দুই মেয়েকে পড়াশোনা করিয়েছেন শ্যামলীর বাবা দীনবন্ধুবাবু। মেয়েদের বিয়ে দিয়ে জমানো যা ছিল, তা শেষ। আগে পাড়ায় একটিই দোকান ছিল, এখন চার-পাঁচটা দোকান। খদ্দের ভাগ হয়ে গিয়েছে। শ্যামলীকে বাবার পাশে দাঁড়াতে হবে। নিজের পায়ে না দাঁড়ালে তা সম্ভব নয়।
শ্বশুরবাড়িতে থেকে অন্যদের মতো কোচিং সেন্টারে পড়ে পরীক্ষা দেওয়ার উপায় নেই বুঝে সে অনলাইনে পড়াশোনা করে। পড়তে পড়তে হঠাৎ ফেসবুক খুলে অমলতাসের ছবিটা ভেসে উঠতে নীলাঞ্জনের প্রোফাইল খুলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দেয় শ্যামলী। মুহূর্তে ইনবক্সে মেসেজ- ‘অপেক্ষায় ছিলাম। ধন্যবাদ।’ প্রতি উত্তরে সৌজন্য না দেখিয়ে শ্যামলী লেখে- ‘আপনার প্রোফাইলজুড়ে এত ফুল দেখে আমি মুগ্ধ। কোথায় পান বলুন তো?’
– ভালোবাসলে খুঁজে পাওয়া যায়। বলা ভালো, সে নিজেই ধরা দেয়।
– এটা একটা কথা হল! ফুল নিজে এসে আপনাকে ধরা দেয়! মশকরা না করে বলুন তো, এইসব ফুলের ছবি আপনার নিজের তোলা? নাকি নেট থেকে নেওয়া?
– এক্কেবারে নিজের চোখ দিয়ে, নিজের আঙুল দিয়ে, নিজের ক্যামেরা দিয়ে তোলা ম্যাডাম।
– আচ্ছা, আপনি ঝিঙে ফুলের ছবি তোলেন না কেন? এই ধরুন উচ্ছে ফুল বা শসাফুলের ছবি!
– তুলি
বাবার দেওয়া নামটা এভাবে মোবাইল স্ক্রিনে টাইপ হয়ে আসায় শ্যামলীর শরীরজুড়ে মুহূর্তে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ বয়ে গেল। মনে হল, ডাকনামে কেউ ডাকল। ভুলেই গেল তাঁর প্রশ্নের উত্তর ‘তুলি’ হতে পারে। একটু চুপ থেকে নিজেকে সামলে নিয়ে লিখল- ‘ধন্যবাদ পিতৃদত্ত নামটি না ভোলার জন্য। আসলে এটা তো নাম নয় শুধু, আবেগ। এখন আর ডাকনামে কেউ ডাকে না…’
এভাবে কথা বাড়তে বাড়তে একে অপরের বন্ধু হয়ে উঠল তারা। ধীরে ধীরে পারিবারিক খোঁজখবরেও পৌঁছে গেল মেসেজ। শ্যামলী উজাড় করে বলে দিল, জ্ঞান হওয়ার পর থেকে যতটুকু সে জেনেছে বুঝেছে ইত্যাদি সবকিছু। শুধু বলতে পারল না সে যে বিবাহিতা। হয়তো বলতে চাইল না। নীলাঞ্জন হয়তো চাইলে, সেটাও জানতে পারত, কিন্তু ইচ্ছে করে এড়িয়ে গিয়েছে। হয়তো নিজের যা কিছু আড়ালে রেখে খেলাঘর বাঁধতে চেয়েছে।
ধীরে ধীরে তাঁদের সম্বোধনের ‘ন’ উঠে গিয়ে আপনি থেকে তুমি হয়ে গেল। শ্যামলীর পড়াশোনায় নানাভাবে সাহায্য করতে থাকল নীলাঞ্জন। সঙ্গে সতর্ক করে দিল শ্যামলীকে- ‘আমাদের এই যোগাযোগ যেন তোমাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট না করে। চাকরিটা কিন্তু পেতেই হবে।’ এইসব সতর্কবার্তা শ্যামলীকে দিন-দিন নীলাঞ্জনের প্রতি নির্ভরশীল করে দিচ্ছিল। কোনওদিন দেখাসাক্ষাৎ না হলেও কবে যে নীলাঞ্জন শ্যামলীর অভিভাবক হয়ে উঠল, কেউ বুঝতে পারেনি। এটুকু বুঝেছিল, গভীর এক বন্ধনে তারা জড়িয়ে পড়েছে।
এখবর সুদেষ্ণাদি দূরের কথা, পৃথিবীর আর কেউ জানতে পারল না। শ্যামলী শুধু মাঝে মাঝে পরমব্রহ্মের প্রতি অগাধ বিশ্বাস রেখে ভেবেছে- এই ব্রহ্মাণ্ডে যা কিছু ঘটছে, সব আমার মঙ্গলের জন্য ঘটছে।
৩
ইনবক্সে কথা হওয়ার শুরু থেকে প্রতিদিন সকালে উঠে প্রথম মেসেজটা নীলাঞ্জনের থেকেই আসত। সেদিন মোবাইল খুলে নীলাঞ্জন নোটিফিকেশনে দেখে শ্যামলীর টেক্সট! সে লিখেছে- ‘চাকরিটা আমি পেয়ে গিয়েছি নীল তুমি শুনছ? হ্যালো নাইন এইট থ্রি টু জিরো…।’ নীলাঞ্জন প্রথমে ভেবেছিল মজা করছে শ্যামলী। কারণ সে তখনও চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরে জানতে পারে দু’বছর আগে দেওয়া ভাইভা’র ফাইনাল লিস্টে শ্যামলীর নাম আছে।
কী যেন কী মনে হল তাঁর! আবার সেই সুদেষ্ণাদির পোস্টের কাঞ্চন ফুলের ছবিটি এডিট করে, তাতে লাল কালিতে ‘ফুলতুলি’ লিখে শ্যামলীকে পাঠাল। সঙ্গে লিখল-‘তোমার জীবন এই ফুলের মতো পবিত্র থাকুক। চাকরি পেয়ে ব্যস্ততায় কিংবা নতুনদের পেয়ে আমাদের চিলেকোঠাটিকে ভুলে যেও না।’ এই পৃথিবীতে সব আমাদের চাওয়া দিয়ে পাওয়া যায় না। যতটুকু পাওয়া যায়, সেইটুকুকে যত্নে লালন করলে জীবন সুন্দর!’
নীলের কথাগুলো বুকে নিয়ে সংসারজীবন থেকে কর্মজীবনে পা রাখে শ্যামলী। কর্মক্ষেত্র বাড়ি থেকে প্রায় একশো কিলোমিটার দূরে। বাসে যাতায়াত। সবসময় ছুটোছুটি করা শ্যামলীর বাসে থাকা সময়টা কর্মহীন মনে হত। সেই সময়টার নাগাল পেতে সে আবার মোবাইলে কবিতা লিখতে শুরু করল। লিখেই পাঠিয়ে দিল নীলাঞ্জনকে। শ্যামলী আবার লেখায় ফিরছে জেনে নীলাঞ্জন খুশি হয়ে সব লেখা নিজের মতো করে নিজের পত্রিকা ও অন্যান্য সম্পাদকের কাছে পৌঁছে দিল।
খুব কম সময়ের মধ্যে শ্যামলী সাহিত্য জগতে পরিচিত নাম হয়ে উঠল। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘চিলেকোঠা’ প্রকাশের পর জনপ্রিয়তা এত বেড়ে গেল যে, নীলাঞ্জন সহজভাবে নিতে পারল না। কেন নিতে পারল না, সে মনস্তাত্ত্বিক খবর বুঝে ওঠার আগেই দ্বন্দ্ব শুরু হল চিলেকোঠায়। মুখে বলল- ‘চিলেকোঠাকে মাঠে না নামালেও পারতে শ্যামলী। এখন তোমাকে ঘিরে অনেকেই রয়েছেন। আমাদের মনে হয় চিলেকোঠা বন্ধ করে দেওয়া প্রয়োজন। আমি চাই না সেখানে একবিন্দু মলিনতা আসুক।’ … লিখেই ফেসবুকে ব্লক করে দিল শ্যামলীকে।
৪
নীলাঞ্জনের সুকঠিন ব্যক্তিত্ব একদিন শ্যামলীকে প্রজাপতি হয়ে ফুলের কাছে আসতে শিখিয়েছিল। নিজেকে ভালোবাসতে শিখিয়েছিল। কিন্তু সেই ব্যক্তিত্বই ক্রমশ তাঁদের চিলেকোঠার দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে দেখে অনেক বোঝাপড়ার চেষ্টা করেছে সে। বারবার ব্যর্থ হয়েছে। সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন খোলামেলা আলোচনা। দুজনই সমান্তরাল দুটো সম্পর্ককে কিছুটা জেনে, কিছুটা ইচ্ছে করে ছাইচাপা দিয়ে যে খেলাঘর বেঁধেছিল, সে ঘর এখন অস্তিত্ব সংকটে।
অথচ কথা ছিল আমৃত্যু ফুলে ফুলে সাজানো থাকবে সেই ঘর। শ্যামলী বিশ্বাস করে, ভালোবাসা হৃদয়ের খাপে রাখা মন্ত্রপূত অসি। ভালোবাসা অভঙ্গুর। সম্পর্কে বিচ্ছেদ এলেও ভালোবাসায় বিচ্ছেদ আসে না। তাই সে ভালোলাগার মুহূর্তগুলোকে নিভৃতে লালন করে, সম্পর্ককে নিজের মধ্যে বাঁচিয়ে রাখতে চায়। যোগাযোগ-কথাবার্তা না থাকলেও নীলাঞ্জনের ছবি, লেখা আগের মতো উপভোগ করে ফেসবুকে। নীলাঞ্জনের সাফল্যের আনন্দকে নিজের মধ্যে উদযাপন করে। নীলাঞ্জনের সেইসব পোস্টের লেখা ও ছবি মাঝে মাঝে দেখা যায়। আবার কখনও হাজার চেষ্টাতেও খুঁজে পাওয়া যায় না।
ছেলেমানুষের মতো ব্লক করে দেওয়া, আবার ব্লক মুক্ত করা তাঁদের সম্পর্কের শুরু থেকেই ছিল বলে শ্যামলী সাহস করে নীলাঞ্জনকে একটু আবেগ ও আহ্লাদেই লেখে – এত রাগ? ছোটদের মতো বারবার এই দরজা খোলা-বন্ধ করার অভ্যেস তোমার যাবে না? তুমি যা চেয়েছ, তাই তো হয়েছে। তোমায় তো আর ডাকিনি চিলেকোঠায়। কেন তবে ফুলের ছবি দেখা থেকেও বঞ্চিত করলে? মানছি, খেলাঘর টিকিয়ে রাখার দায়বদ্ধতা কারও থাকে না, ফুলে কখনও একটি প্রজাপতি বারবার বসবে- এ ধারণাও অমূলক। সাধারণ পাঠক তো হতে পারি!
নীলাঞ্জনের সপাট উত্তর- ‘কোনও সম্পর্কে ভালোবাসা বা ঘৃণা থাকলে ব্লক করা বা খুলে দেওয়ার বিষয় থাকে। পরিচিত কিংবা অপরিচিত ঠিক কোন স্তরে এই যোগাযোগ, আমার জানা নেই। সব থেকে বড় কথা, আমার জীবনে শ্যামলী নামটিরই আর অস্তিত্ব নেই।’
‘অস্তিত্ব’ শব্দটি শ্যামলীর মন্ত্রপূত অসিকে যেন খাপ থেকে খুলে বের করে ফেলে দিল। সংসার তাঁকে শিখিয়েছে অস্তিত্ব সংকট কাকে বলে! সবকিছু থেকেও কিছু না থাকাকে যে অস্তিত্ব সংকট বলে, শ্যামলীর মতো অনেক মানুষই জানে। মোবাইলের বিভিন্ন অ্যাপে ফিল্টার হয়ে আসা ছবির মতো বহু সংসারের বলিরেখা, মেচেতা, চোখের কালি কিংবা ঠোঁটের রক্তাল্পতা ঢাকা পড়লেও তা মিথ্যে হয়ে যায় না। বিনিসুতোয় বাঁধা সম্পর্কে অস্তিত্ব না থাকা মানে সে সম্পর্ক মৃত। শবদেহ যত প্রিয় হোক না কেন, সেই দেহ নিজের কাছে জোর করে রাখতে চাইলেও তাতে পচন ধরে। দু’চোখে জলের ধারা নিয়ে এইসব ভাবতে ভাবতে শ্যামলী লেখে- ‘আমাদের চিলেকোঠা থেকে ‘অস্তিত্ব’ নামের ফুলটিকে আজ নিজেই ছিঁড়ে ফেলে দিলাম, তুমি নতুন ফুলে কবিতা লেখো। নতুন প্রজাপতি উড়ে আসবে।’
তারপর নীলাঞ্জন মেসেজের উত্তরে আর কিছু লিখেছিল কি না শ্যামলী দেখেনি।
The publish অস্তিত্ব appeared first on Uttarbanga Sambad.
