পুজোর মধ্যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড বাঁকুড়ার সোনামুখীতে। অষ্টমীর রাতে স্ত্রীকে খুন করে কাটা মুণ্ডু মন্দিরে রেখে গেল যুবক! শুধু স্ত্রীই নন, যুবকের হাতে তাঁর বাবাও খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ। বাড়ির উঠোনে তাঁর দেহ পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে সোনামুখীর মানা চরে। প্রাথমিক অনুমান, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তন্ত্রসাধনা। আবার পারিবারিক অশান্তির কারণে হত্যাকাণ্ডের কথাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। দেহ দুটি উদ্ধার করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তবে অভিযুক্ত যুবক এখনও অধরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার, অষ্টমীতে রাত আটটা নাগাদ সোনামুখীর মানা চরের বাসিন্দা মঙ্গল চৌধুরী এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। অভিযোগ, প্রথমে ধারাল অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী রুম্পাকে খুন করার পর তাঁর মুণ্ডু কেটে নিয়ে মন্দিরে রেখে দেয় মঙ্গল। পরে বাড়ির উঠোন থেকেই তার বাবা রাজেন্দ্র চৌধুরীর দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তন্ত্রসাধনা ও বশীকরণের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার, অষ্টমীতে রাত আটটা নাগাদ সোনামুখীর মানা চরের বাসিন্দা মঙ্গল চৌধুরী এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। অভিযোগ, প্রথমে ধারাল অস্ত্র দিয়ে বছর উনচল্লিশের স্ত্রী রুম্পাকে খুন করার পর তাঁর মুণ্ডু কেটে নিয়ে মন্দিরে রেখে দেয় মঙ্গল। পরে বাড়ির উঠোন থেকেই তার বাবা রাজেন্দ্র চৌধুরীর দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর বয়স ৬০ বছর। একই পরিবারের দুই সদস্যের এমন নৃশংস পরিণতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রাথমিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তন্ত্রসাধনা ও বশীকরণের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তবে সঠিক কারণ কী, তা এখনও অজানা। জোড়া খুনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক আতঙ্কিত এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা দয়াল পাত্রের কথায়, ‘‘স্বামী-স্ত্রী মিলে পুজোপাঠ করত। কিন্তু এইরকম ঘটনা জীবনে প্রথমবার দেখলাম। দু’জনকে খুন করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলাকার মানুষকেও তাড়া করছিল ছেলেটা। তারপর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।” কী কারণে একই পরিবারের দু’জনকে এভাবে খুন হতে হল, পিছনে কোনও পারিবারিক বিবাদ ছিল নাকি অন্য কোনও রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। অভিযুক্তর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
