গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে বিতর্কিত আউটের জেরে আলোচনায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু অধিনায়ক রাজত পাটিদার। তাঁর উইকেট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেল বিরাট কোহলিকেও। আরসিবি’র প্রাক্তন অধিনায়ক ডাগআউট থেকে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নিয়ে স্পষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এই বিষয়ে আরও খবর
আরসিবি’র ইনিংসের অষ্টম ওভারে বিতর্কের সূত্রপাত। আরশাদ খানের করা শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে ঠিকমতো টাইমিং করতে পারেননি রাজত পাতিদার। বলটি অনেক উঁচুতে উঠে ডিপ অঞ্চলের দিকে যায়। ক্যাচ নিতে ছুটে আসেন গুজরাটের দুই ফিল্ডার। প্রথমে কাগিসো রাবাডা বলটির কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে জেসন হোল্ডার এগিয়ে এসে ক্যাচটি তালুবন্দি করেন।
তবে রিপ্লেতে দেখা যায়, ক্যাচ সম্পূর্ণ করার সময় হোল্ডারের হাত বা বল মাটিতে স্পর্শ করেছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ফলে সিদ্ধান্ত তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে যায়। দীর্ঘক্ষণ রিপ্লে দেখার পর পাতিদারকে আউট ঘোষণা করা হয়। এই সিদ্ধান্তে খুশি হননি কোহলি। এর আগেই তিনি আউট হয়ে ডাগআউটে ফিরেছিলেন। সেখান থেকেই তাঁকে উত্তেজিত ভঙ্গিতে মাঠের আম্পায়ারদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। পাতিদারের উইকেটের পর আরসিবি বেশ চাপে পড়ে। এমনকী ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে নেমেও বোলার মতো কিছু করতে পারেননি ভেঙ্কটেশ আইয়ার। ১৫ বলে তাঁর সংগ্রহ মাত্র ১২ রান।
আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ক্যাচ বৈধ বলে গণ্য হতে হলে ফিল্ডারের বলের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে। ক্যাচ সম্পূর্ণ হওয়ার আগে বল মাটিতে স্পর্শ করলে তা আউট দেওয়া যাবে না। তবে ফিল্ডারের হাতে বল নিয়ন্ত্রণে থাকলে, সেই হাত মাটিতে ছুঁলেও ক্যাচ বৈধ ধরা হবে। উল্লেখ্য, এই ম্যাচে শুরুটা অসাধারণ করলেও ১৩ বলে ২৮ রানের বেশি করতে পারেননি বিরাট কোহলি। দেবদত্ত পড়িক্কল করেন ২৪ বলে ৪০। শেষ পর্যন্ত গুজরাট টাইটান্সের সামনে ১৫৬ রানের লক্ষ্য রাখে আরসিবি। তিনটি উইকেট পান আরশাদ খান। দু’টি করে ভাগ করে নিয়েছেন জেসন হোল্ডার এবং রশিদ খান।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
