অতিসক্রিয় ফল্ট! বাংলাদেশে ঘনঘন একই অংশে ভূমিকম্প কীসের লক্ষ্মণ?

অতিসক্রিয় ফল্ট! বাংলাদেশে ঘনঘন একই অংশে ভূমিকম্প কীসের লক্ষ্মণ?

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


বারবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে বাংলাদেশ। একই এলাকায় অনুভূত হচ্ছে কম্পন। কিন্তু কেন? তা নিয়ে আতঙ্কের শেষ নেই দেশবাসীর। মঙ্গলবার একদিনে দু’বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশকের আশঙ্কা উঁকি দিচ্ছে। রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টা ৩৪ মিনিট ও ৯টা ৫১ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দুটো ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মায়ানমার। রিখটার স্কেলে দুটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫.৯ ও ৫.২। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও অজানা।

 

আরও পড়ুন:

মঙ্গলবার রাত ৯টা ৩৪ মিনিট ও ৯টা ৫১ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দুটো ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মায়ানমার। রিখটার স্কেলে দুটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫.৯ ও ৫.২। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও অজানা।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সূত্র জানিয়েছে, দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, আমেরিকান ভূত্বাত্তিক অধিদপ্তর ইউএসজিএসের প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৯। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৩ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে।

দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশে এই ভূমিকম্প একই ফল্ট বা চ্যুতির উপর হয়েছে। যে ফল্টে ২০২৪ সালে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। জানা যাচ্ছে, এই ফল্টটি খুবই সক্রিয়। 

দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশে এই ভূমিকম্প একই ফল্ট বা চ্যুতির উপর হয়েছে। যে ফল্টে ২০২৪ সালে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। জানা যাচ্ছে, এই ফল্টটি খুবই সক্রিয়। ফলে ভূমিকম্পের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশকের আশঙ্কা রয়েছে। এর আগে, বুধবার ভোরে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়। বারবার এমন কম্পনে চিন্তার ভাঁজ দেশবাসীর কপালে। অতীতে কখনও এত ঘনঘন ভূমিকম্পের সাক্ষী থাকেননি তাঁরা। প্রশ্ন হচ্ছে, চ্যুতিটি যদি এত সক্রিয় হয়, তাহলে সেখানে বসতি তো ঝুঁকির মুখে। এনিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *