অটিস্টিক ছেলের জন্যই বিশ্বকাপ! মেসি-বন্দির পর কোচ ফুয়েন্তের ট্যাটু বানিয়ে অবসরে কুকুরেয়া?

অটিস্টিক ছেলের জন্যই বিশ্বকাপ! মেসি-বন্দির পর কোচ ফুয়েন্তের ট্যাটু বানিয়ে অবসরে কুকুরেয়া?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


বিশ্বকাপ ফাইনালের পর স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়ার পকেট ঘাঁটলে কী কী পাওয়া যেতে পারে? হয়তো চাবি, মানিব্যাগ। অনেকের খোঁচা- পকেট থেকে লিওনেল মেসিও বেরোতে পারেন। সোশাল মিডিয়ায় এই ধরনের পোস্ট ভাইরাল। ফাইনালে বার্সেলোনার প্রাক্তন সতীর্থ মেসিকে কার্যত বোতলবন্দি করে রেখেছিলেন কুকুরেয়া। তবে ২৭ বছর বয়সি ডিফেন্ডারের গল্পটা ফুটবল মাঠের ৯০ মিনিটের থেকেও অনেক বড়। যে গল্প এক বাবা-ছেলের গল্প। শুধু ট্রফির লড়াই নয়, অটিজমে আক্রান্ত ৬ বছরের ছেলেকে নিয়ে এক যুদ্ধ লড়ছেন ঝাঁকরা চুলের সাইড ব্যাক।

বিশ্বকাপের মাঝেই চেলসি থেকে রিয়াল মাদ্রিদে সই করেছেন। তবে কেরিয়ারের শুরুটা হয়েছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনায়। কুকুরেয়া ও তাঁর সঙ্গী ক্লদিয়া রদ্রিগেজের তিন সন্তান- মাতেও, রিও ও ক্লদিয়া। কুকুরেয়া সাধারণত মাতেওকে স্টেডিয়ামে আনেন না। কারণ অটিজমে আক্রান্ত ছেলের জন্য গ্যালারির তীব্র শব্দ, ভিড় ও আলো সহ্য করতে কষ্ট হয়। প্রথম দিকে কুকুরেয়া বুঝে উঠতে পারতেন না ছেলেকে কীভাবে সাহায্য করবেন। গান শুনলে হাত নাড়ত, কিন্তু কথা বলতে পারত না। পরীক্ষায় জানা যায়, মাতেও অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারে (এএসডি) আক্রান্ত। ধীরে ধীরে ছেলের জন্য ভালো স্কুল, ডাক্তার ও উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করেন। সেটা তাঁর ফুটবল কেরিয়ারেও একটা স্থিরতা এনে দিয়েছে। মেসি বা হালান্ডদের বিরুদ্ধে তাই মাথা ঠান্ডা করে খেলতে পারেন।

আরও পড়ুন:

FIFA World Cup 2026: Story of Spain Footballer Marc Cucurella's son, unique tattoo promise and retirement buzz
কুকুরেয়া ও মাতেও।

তবে সেটা কি স্পেনের জার্সিতে আর দেখা যাবে? কারণ, বিশ্বকাপ জেতার পরই অবসর নিতে পারেন কুকুরেয়া। অন্তত নিজেই সে কথা বলে রেখেছিলেন। ফাইনালের আগে কুকুরেয়া দু’টো প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। এক- বিশ্বকাপ জিতলে অবসর নেবেন। ২০২৪-এ ইউরো, ২০২৬-এ বিশ্বকাপ। আর কীই বা জেতার থাকবে। সেটাই কি হতে চলেছে?

দ্বিতীয় প্রতিজ্ঞা ছিল, বিশ্বকাপ জিতলে শরীরে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের ট্যাটু করাবেন। ফাইনালের পর খোদ ফুয়েন্তেই মনে করিয়ে দিলেন, “আমার খেলোয়াড়রা কথার খেলাপ করে না। কথা যখন দিয়ে ফেলেছে, তার মাশুল তো দিতেই হবে! তাছাড়া আমি দেখতে খুব একটা খারাপ নই!” কোথায় সেই ট্যাটু করানো যায়, সেই নিয়েও মতামত দিয়েছেন স্প্যানিশ গুরু। তিনি বলেন, “শরীরের এমন কোনও অংশে ট্যাটু করাক, যেটা খুব একটা চোখে পড়বে না।” ফলে বিশ্বকাপ জিতেই কুকুরেয়ার কাজ শেষ হচ্ছে না। দু’টো প্রতিজ্ঞা রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *