১১২ ফুটের প্রতিমার পর এবার একই মণ্ডপে ১১২ দুর্গা! গিনেস বুকে নাম তোলার লক্ষ্যে এই পুজো

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


২০২৪ সালে একাধিক বিতর্কে বন্ধ রাখতে হয়েছিল দুর্গাপুজো। সেই বিতর্ককে পিছনে ফেলে গত বছর ১১২ ফুটের দুর্গা প্রতিমা তৈরি হয়েছিল সেখানেই। তবে পুজো কর্তাদের আক্ষেপ ছিল, গত বছর ১১২ ফুটের দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করেও প্রত্যাশিত স্বীকৃতি মেলেনি। এবার নতুন উদ্যমে কোমর বেঁধে পড়েছেন তাঁরা। এবারও পুজোর সঙ্গে জুড়ে রয়েছে ১১২ সংখ্যাটি। কী এই ১১২? মণ্ডপের উচ্চতা নাকি পুজো এবার ১১২ তম বর্ষে পড়ল?

এই দুটোর কোনও কিছুই নয়। গতবারের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আরও বড় আয়োজনের পথে নদিয়ার ধানতলা থানার কামালপুর দুর্গোৎসব। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তোলার লক্ষ্যে এই পুজো কমিটি কাজ করছে। এবার দুর্গার একটি প্রতিমা নয়, মণ্ডপে থাকবে ১১২টি দুর্গাপ্রতিমা। ঝড়ের গতিতে মণ্ডপের ভিতরেই প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। পাশাপাশি দিবারাত্র মণ্ডপের কাজও চলছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, এবারের আয়োজন হতে চলেছে তাঁদের পুজোর ইতিহাসে অন্যতম বড় উদ্যোগ।

আরও পড়ুন:

in Nadia, 112 Durga idols feature in a single pandal
চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। নিজস্ব চিত্র

কামালপুরের দুর্গোৎসবের অতীত অবশ্য খুব একটা মসৃণ নয়। ২০২৪ সালে একাধিক প্রতিকূলতার কারণে পুজো বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন উদ্যোক্তারা। পরের বছর সমস্ত বাধা কাটিয়ে ১১২ ফুটের বিশাল দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে নজর কেড়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু এত বড় আয়োজনের পরেও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার নতুন পরিকল্পনা। একই মণ্ডপে ১১২টি দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করা হচ্ছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি পাওয়ার লক্ষ্যেই এগোচ্ছে উদ্যোক্তারা।

in Nadia, 112 Durga idols feature in a single pandal
জোরকদমে চলছে মণ্ডপ তৈরি। নিজস্ব চিত্র

সুত্রের খবর, এই বৃহৎ উদ্যোগে শুরু থেকেই পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন রানাঘাট উত্তর-পূর্বের বিধায়ক অসীম সরকার। তাঁর সমর্থন বাড়তি উৎসাহ জুগিয়েছে পুজো উদ্যোক্তাদের। পুজো কমিটির অন্যতম উদ্যোক্তা সুজয় বিশ্বাস জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই সাংবাদিক সম্মেলন করে এবারের আয়োজন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হবে। কীভাবে, এই ১১২টি প্রতিমা সাজানো হবে? এবারের পুজোর ভাবনা কী? কবে থেকে ওই পুজো মণ্ডপ সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে? সেই বিষয় জানানো হবে।

প্রতিমাগুলি মাটি দিয়েই তৈরি হচ্ছে। টানা বৃষ্টি, বিরূপ আবহাওয়া, ভিজে মাটির কারণে প্রতিমা তৈরিতে সমস্যা হচ্ছে। তবে বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও মণ্ডপসজ্জা ও প্রতিমা নির্মাণের কাজ থেমে নেই। এলাকার বাসিন্দারাও এবারের পুজো নিয়ে যথেষ্ঠ রোমাঞ্চিত। বাংলার অন্যতম পুজো হিসেবে এবারে এই পুজো নজর কাড়ুক। এমনই চাইছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *