‘সবটা আটকানো সম্ভব না’, বিজেপির ‘তৃণমূলীকরণ’ নিয়ে আর কী বললেন শমীক?

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


রাজ্য বিজেপির খোলনলচে বদলেছে। সংগঠনের মহিলা, যুব, ওবিসি মোর্চা থেকে শুরু করে সাংগঠনিক জেলার সভাপতি, রাজ্য সম্পাদক সর্বত্র নতুন মুখ। পুরভোটের আগে ব্যাপক রদবদল। কিন্তু রাজ্য বিজেপির তৃণমূলীকরণের কী হবে? পানিহাটিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উত্তর, “সবটা আটকানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।”

তাহলে কি বঙ্গ বিজেপির তৃণমূলীকরণ হবেই? সেক্ষেত্রে তাঁর সাফ জবাব, “না”। বলছেন, “বিজেপি বিজেপিতেই থাকবে। যে দল ২ থেকে ৩০৩-এ পৌঁছেছে। ২০টির বেশি রাজ্যে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে।৭০ বছরেরও বেশি সময় পর শ্যামাপ্রসাদের মাটিতে শ্যামাপ্রসাদের সরকার তৈরি করেছে। সেই দলের তৃণমূলীকরণ সম্ভব নয়।” তাহলে কোনটা আটকানো সম্ভব নয়?

আরও পড়ুন:

‘৪ মে দুপুর দু’টোর পর বিজেপি হয়েছে।’ বাংলার রাজনৈতিক মহলে এই বাক্য এখন বহুল প্রচলিত। দেখাও গিয়েছে ৩ তারিখ তৃণমূলের পতাকায় ছেয়ে থাকা পাড়া রাতারাতি পদ্মফুলে ভরে গিয়েছে। অনেকেই বিজেপির পতাকা হাতে রাস্তায় নেমেছে। তাঁদের আটকানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন শমীক। তিনি বলেন, “কিছু লোক বিজেপির পতাকা নিয়ে রাস্তায় নেমেছে। সবটা আটকানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। কিছু লোক বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। কিন্তু বিজেপিতে কোনও যোগদান হয়নি। কিছু মানুষ নিজেকে স্বঘোষিত কাউন্সিলর মনে করে ফেলেছেন। ওঁরা থাকবেন না। বিজেপি-বিজেপিতেই থাকবে।”

পাশাপাশি তৃণমূলকে বিঁধতে ছাড়েননি শমীক। তৃণমূলের লোকজনকে তাঁদের ভাষায় উত্তর দিতে পারতেন। কিন্তু সেটা তাঁরা চাননি বলে দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায়, “আমরা তৃণমূলের পথে হাঁটিনি। চার তারিখ রাতে একুশ সালের ২ মে-র কথা মনে করতে পারতাম। তৃণমূল যে ভাষা বোঝে, সেই ভাষায় উত্তর দিতে পারতাম। কিন্তু আমরা সে পথে হাঁটিনি। আমরা চাই এ রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হোক। যাঁরা অসহায় প্রান্তিক মানুষকে লুঠ করেছে। সরকারি ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা হবে।” 

পাশাপাশি দলের নেতা-কর্মীদের আচরন নিয়ে ফের সতর্কবার্তা দিয়েছেন শমীক। নেতাকর্মীদের ব্যবহারে যদি মনে হয় সেবা করতে নয়, রাজ্যে তাঁরা শাসন করতে এসেছেন, তাহলে মানুষের সঙ্গে দলের দূরত্ব বাড়বে বলে শুক্রবার এমনই সাবধানবানী দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি। এ দিন দুপুরে সল্টলেক বিজেপি দপ্তরে পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ‌্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে ছিলেন শমীক-সহ অমিতাভ চক্রবর্তী, লকেট চট্টোপাধ‌্যায়, দেবজিৎ সরকার, শশী অগ্নিহোত্রী প্রমুখ নেতৃত্ব। শমীক বলেন, ‘‘রাজ্যের মানুষ আমাদের ক্ষমতায় এনেছেন। কিন্তু যদি আমাদের ব্যবহার, আমাদের কথাবার্তা, শব্দ চয়ন দেখে মানুষের মনে হয় আমরা রাজ্যে মানুষের সেবা করতে আসিনি। আমরা শাসন করতে এসেছি, তাহলে আমরা নিজেদের ভাবধারা থেকেই দূরে সরে যাব।’’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *