ঝরেছে ঘাসফুল। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীই হারিয়েছে দলের পরিচিত নাম ও প্রতীক।এখন নজর নির্বাচন কমিশনের ১৮৪টি মুক্ত প্রতীকের তালিকায়। সেই তালিকায় রয়েছে এসি, আলমারি, আপেল, চুড়ি, দূরবীন, কম্পিউটার, সিসিটিভি, ব্যাটারি টর্চ, কেক, বিস্কুট, ক্যাপসিকাম, বাইনোকুলার থেকে কোট, কানের দুল—নানা বিচিত্র প্রতীক।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই নিজেদের পছন্দের আলাদা নামের সঙ্গে এই মুক্ত প্রতীকগুলির তালিকা থেকে প্রতীক বেছে নিতে হবে। অর্থাৎ যে ‘জোড়াফুল’ এত দিন তৃণমূলের রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত, উপনির্বাচনে তার বদলে ভোটারদের সামনে আসতে পারে সম্পূর্ণ অপরিচিত কোনও চিহ্ন। এখন প্রশ্ন হল, কালীঘাট শিবির কোন তিনটি প্রতীক কমিশনের কাছে চাইবে? বিদ্রোহী ঋতব্রত শিবিরই বা বেছে নেবে কোন তিন চিহ্ন? কারণ প্রতীক শুধু ব্যালটের চিহ্ন নয়, প্রচারের ভাষা এবং ভোটারকে নিজের প্রার্থী চিনিয়ে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমও। ফলে ১৮৪ প্রতীকের তালিকা ঘিরেই এখন দুই শিবিরে নতুন রাজনৈতিক অঙ্ক।
আরও পড়ুন:
এ প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনেক সময় বেআইনি নির্দেশও আমাদের সাময়িকভাবে মেনে নিতে হয়। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তও তেমনই। নতুন নাম বা প্রতীক মানুষকে চেনাতে সমস্যা হবে এটা ঠিকই। তবে সেই কাজটা আমাদের করতেই হবে।” নতুন প্রতীক কী হতে পারে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছেন, “কাল সকাল ১১টা পর্যন্ত সময় আছে। তার মধ্যেই ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেব।” উপনির্বাচনের আগে জোড়াফুলের দুই শিবিরের লড়াই গড়াল প্রতীকের লড়াইয়ে। ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনের আগে তাই কৌতূহল—তৃণমূলের ভোটের মাঠে এ বার দেখা যাবে কোন চিহ্ন?
সর্বশেষ খবর
