পুজোর উইশলিস্টে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুচকা! কৌশানীর পুজোর পাতে আর কী কী চমক?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


পুজো এলেই ডায়েটের কড়া নিয়মে একটু ছাড় দেন অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুচকা, পছন্দের রেস্তরাঁয় খাওয়াদাওয়া আর অষ্টমীর রাতে একেবারে বাঙালি কায়দায় লুচি-কষা মাংস- উৎসবের কয়েকটা দিন খাবারের আনন্দে কোনও কাটছাঁট করতে চান না অভিনেত্রী। সারা বছর ডায়েটের নিয়ম মেনে চললেও পুজোর ক’টা দিন তাঁর কাছে একটু অন্যরকম।

koushani mukherjee puja diet fuchka luchi mutton
কৌশানী মুখোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

আরও পড়ুন:

“পুজো মানে আমার কাছে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুচকা খাওয়া। এটা হতেই হবে”, সোজাসাপটা কৌশানী। ফুচকার পাশাপাশি ভালো রেস্তরাঁয় খাওয়ার পরিকল্পনাও থাকে। তবে অষ্টমীর রাতের খাবারে কোনও আধুনিকতার ছোঁয়া নয়, পছন্দ একেবারে চেনা বাঙালি রান্না। লুচি আর কষা মাংস তাঁর কাছে অষ্টমীর রাতের উদ্‌যাপনেরই অংশ।

খাবারের প্রতি এই ভালোবাসার জায়গা থেকেই নিজেকে ‘ফুডি’ বলেন কৌশানী। তবে নিয়মিত ডায়েটের কারণে এখন আগের মতো বেশি পরিমাণে খেতে পারেন না। তাঁর কথায়, ডায়েট করতে করতে খাবারের পরিমাণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পরিমাণ কমেছে বলেই পছন্দের খাবারের আনন্দ কমেনি।

koushani mukherjee puja diet fuchka luchi mutton
অষ্টমীর রাতে লুচি-মাংস। ছবি: সংগৃহীত

বরং উৎসবের খাবার উপভোগ করার ক্ষেত্রে কৌশানীর একটি নিজস্ব নিয়ম আছে- গিল্ট নয়, উপভোগ। পুজোর কয়েকটা দিন পছন্দের খাবার সামনে এলে ক্যালরির হিসাব কষে আনন্দ নষ্ট করতে চান না তিনি। “আমি যখন খাই, তখন ভাবি না। কোনও গিল্ট রেখে খাই না। ওই ক’টা দিন আমি গিল্ট-ফ্রি, একটা বাঙালি মেয়ের মতো খাই,” বলছেন অভিনেত্রী।

তবে এই ছাড় চিরস্থায়ী নয়। পুজোর আনন্দ শেষ হলেই আবার নিজের নিয়মে ফেরেন কৌশানী। কয়েক দিনের জমিয়ে খাওয়াদাওয়ার পর শুরু হয় তাঁর কথায় ‘ডিটক্স’। অর্থাৎ, সারা বছরের নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের মাঝে পুজোর ক’টা দিন খাবারের সঙ্গে মন খুলে বন্ধুত্ব, তারপর আবার নিজের ছন্দে ফেরা। কৌশানীর কাছে এটাই পুজোর খাওয়াদাওয়ার আসল মন্ত্র। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *