তসলিমার বক্তৃতা নিয়ে প্রশ্ন স্কুলের পরীক্ষায়! ‘লেখাকে অত সহজে নির্বাসিত করা যায় না’, খোঁচা লেখিকার

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


‘নির্বাসিত’ আজ প্রত্যাবর্তন পর্বে পা দিয়েছে। দু’দশকের খরা কাটিয়ে গত মাসেই কলকাতায় ফিরেছিলেন একসময়ে বিতাড়িত, বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার পর তসলিমার এই প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে সবমহলের বড় ঘটনা। আগস্টে কলকাতা এসে রবীন্দ্রসদনের অনুষ্ঠানে প্রিয় শহর থেকে নির্বাসিত হওয়ার যন্ত্রণা, অভিমানের কথা তুলে ধরেছিলেন লেখিকা। এবার তাঁর সেই বক্তব্যই কলকাতার নামী স্কুলে বাংলার প্রশ্নপত্রে! তসলিমা নিজেই ফেসবুক পোস্টে তা তুলে ধরেছেন। বিষয়টিকে ‘মজার কাণ্ড’ বলেছেন লেখিকা। সেইসঙ্গে তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, ‘মানুষকে নির্বাসিত করা যায়, লেখাকে বোধহয় অত সহজে নির্বাসিত করা যায় না।’

আরও পড়ুন:

ঘটনা ঠিক কী? তসলিমার পোস্ট থেকে যা জানা যাচ্ছে, তা খানিকটা এরকম। কলকাতার এক নামী স্কুলের দশম শ্রেণির বাংলার পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে উঠে এসেছে কলকাতার অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যের একটা বড় অংশ। সেই বক্তব্যের উপর চারটি সংক্ষিপ্ততম প্রশ্ন করা হয়েছে। সঙ্গে দুটি করে উত্তর দেওয়া। সঠিক উত্তর চিহ্নিত করতে হবে। এর জন্য মোট ১০ নম্বর রাখা হয়েছে। কিন্তু এমন প্রশ্নপত্র কোন স্কুলের, সেসবের কোনও উল্লেখ নেই তসলিমার পোস্টে। তবে বেশ ভাবনাচিন্তা করেই প্রশ্ন তৈরি করা, তা স্পষ্ট।

এ প্রসঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তসলিমা লিখলেন, ‘মজার কাণ্ড! এতদিন শুনেছি আমাকে দেশ থেকে বের করে দিতে হবে, শহর থেকে বের করে দিতে হবে, আমার বই নিষিদ্ধ করতে হবে, আমার লেখা পড়া যাবে না। এবার দেখি আমি দিব্যি দশম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ঢুকে পড়েছি! (প্রশ্নপত্রে পুরো ভাষণ নয়, ভাষণের একটি ছোট অংশ নেওয়া হয়েছে।)সবচেয়ে মজার ব্যাপার, যে কলকাতা থেকে আমাকে একদিন চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল, সেই কলকাতায় আমার ফিরে আসার কথাই আজ পরীক্ষার গদ্যাংশ। জীবন মাঝে মাঝে বেশ রসিক। মানুষকে নির্বাসিত করা যায়, লেখাকে বোধহয় অত সহজে নির্বাসিত করা যায় না।’ এনিয়ে এখনও স্কুল কর্তৃপক্ষ বা পরীক্ষার্থীদের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *