ঠাকুর দেখতে মণ্ডপে ঢুকে হাতসাফাই! দুর্গার সোনার টিপ-নাকছাবি চুরি করে গ্রেপ্তার ‘দর্শনার্থী’

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


দর্শনার্থী সেজে পুজো মণ্ডপে ঢুকে প্রতিমার গয়না চুরি! ঠাকুর দেখার নাম করে দুর্গা প্রতিমার সোনার টিপ-নাকছাবি হাতিয়ে পালিয়েও অবশ্য শেষরক্ষা হয়নি। শেষপর্যন্ত সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ‘চোর’কে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে উত্তর কলকাতার জোড়াবাগান থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, উত্তর কলকাতার জোড়াবাগান এলাকায় ঘটে এই ঘটনাটি। এখানেই গৌর লাহা স্ট্রিটে এই বারোয়ারি পুজোটি হয়। এখানেই হানা দিয়ে প্রতিমার স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে গ্রেপ্তার হল গোপাল কেলটিবিন নামে ওই ব‌্যক্তি।

চলতি বছর কলকাতার মোট ১৫টি পুজো মণ্ডপে সোনা ও রুপোর গয়নায় সাজানো হয় দুর্গা প্রতিমাকে। পুজো কমিটিগুলির পক্ষে লালবাজারের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন জানানো হয়। তারই ভিত্তিতে মায়ের গয়নার সুরক্ষায় শহরের ১৫টি মণ্ডপে সশস্ত্র পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের মোতায়েন করে লালবাজার। জোড়াবাগান অঞ্চলেও একটি পুজোয় পুলিশি নিরাপত্তা ছিল। কিন্তু গৌর লাহা স্ট্রিটের ওই পুজো কমিটি পুলিশের কাছে মা দুর্গার গয়নার নিরাপত্তা চেয়ে কোনও আবেদন জানায়নি। অথচ দুর্গা প্রতিমাকে সাজানো হয় কিছু সোনার গয়না দিয়ে।

আরও পড়ুন:

পুজো চলাকালীনই হঠাৎ পুজো কমিটির সদস্যরা লক্ষ‌্য করেন, দুর্গা প্রতিমার কপালের সোনার টিপ বা বিন্দি ও নাকছাবি উধাও। সঙ্গে সঙ্গে হুলস্থুল পড়ে যায়। কে, কীভাবে চুরি করল, তা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। এমনকী, সন্দেহের তির ছিল পরিচিতদের দিকেও। এই ব‌্যাপারে জোড়াবাগান থানায় পুজো কমিটির পক্ষে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন:

পুলিশের মতে, পুজো কমিটির সদস‌্যরা হয়ত মনে করেছিলেন যে প্রতিমার গয়নার নিরাপত্তায় তাঁরাই যথেষ্ট। নিজেরা সারাক্ষণ নজরদারি রাখবেন সেই গয়নাগুলির উপর। কিন্তু শেষপর্যন্ত আর সেই কাজে সফল হননি পুজো কমিটির সদস‌্যরা। দুর্গাপুজো চলাকালীনই হঠাৎ তাঁরা লক্ষ‌্য করেন, দুর্গা প্রতিমার কপালের সোনার টিপ বা বিন্দি ও নাকছাবি উধাও। সঙ্গে সঙ্গে হুলস্থুল পড়ে যায়। কে, কীভাবে চুরি করল, তা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। এমনকী, সন্দেহের তির ছিল পরিচিতদের দিকেও। এই ব‌্যাপারে জোড়াবাগান থানায় পুজো কমিটির পক্ষে অভিযোগ দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে পুজো কমিটির সদস‌্যরা পুলিশের কাছে দুঃখপ্রকাশ করে জানান, প্রতিমার সোনার গয়না থাকা সত্ত্বেও তাঁরা কেউ বিষয়টি পুলিশকে জানাননি বা পুলিশের কাছ থেকে সাহায‌্যও চাননি। তাঁদের এই স্বীকারোক্তি ও অভিযোগের ভিত্তিতে জোড়াবাগান থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

তদন্ত শুরু করার পর ঘটনাস্থলে গিয়েই পুলিশ বুঝতে পারেন যে, এই কাজ পেশাদার চোরের। চোর এসেছিল দর্শনার্থী সেজে। সে কোনওভাবে বুঝতে পারে যে, দুর্গা প্রতিমার কিছু গয়না খাঁটি সোনার। তখন থেকে তক্কে তক্কে ছিল। রাতে কখন পুজো মণ্ডপ ফাঁকা হয়ে যায়, কখনই বা পুজো কমিটির সদস‌্যরা বিশ্রাম নেন, সেই সুযোগ খুঁজছিল। সেইমতো সামান‌্য কিছুক্ষণ সময় পেয়ে অভিযুক্ত গোপাল কেলটিবিন প্রতিমার সামনে গিয়ে সোনার নাকছাবি ও টিপ হাতিয়ে নেয়।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, তদন্ত শুরু করার পর ঘটনাস্থলে গিয়েই পুলিশ বুঝতে পারেন যে, এই কাজ পেশাদার চোরের। চোর এসেছিল দর্শনার্থী সেজে। সে কোনওভাবে বুঝতে পারে যে, দুর্গা প্রতিমার কিছু গয়না খাঁটি সোনার। তখন থেকে তক্কে তক্কে ছিল। রাতে কখন পুজো মণ্ডপ ফাঁকা হয়ে যায়, কখনই বা পুজো কমিটির সদস‌্যরা বিশ্রাম নেন, সেই সুযোগ খুঁজছিল। সেইমতো সামান‌্য কিছুক্ষণ সময় পেয়ে অভিযুক্ত গোপাল কেলটিবিন প্রতিমার সামনে গিয়ে সোনার নাকছাবি ও টিপ হাতিয়ে নেয়। এরপর সে মুখ ঢেকে পালিয়েও যায়।

পুলিশ তদন্ত শুরু করার পর মণ্ডপ লাগোয়া ও এলাকার কয়েকটি সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে। তাতেই গোপালের চেহারা ধরা পড়ে। পুলিশ আধিকারিকরা তাকে শনাক্ত করার পর তার সন্ধানে উত্তর কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করেন। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় ওই সোনার গয়না চুরির অভিযুক্ত। তাকে জেরা করা হচ্ছে। এর আগে সে শহরের অন‌্যান‌্য মন্দির থেকেও চুরি করেছিল কি না, সেই তথ‌্য জানার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *