পুজোর মাঝে চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা কলকাতার বুকে ক্ষত রেখে গিয়েছে। কিন্তু কার গাফিলতিতে ১৯ জনের প্রাণ গেল, তার যথাযথ তদন্তের জন্য কোনও বিচারপতির নেতৃত্বে কমিশন গঠনের কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এনিয়ে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লেখেন সোমবার। এছাড়া ঘটনা নিয়ে জনস্বার্থ মামলাও হয়েছিল। আজ, মঙ্গলবার উচ্চ আদালতে তার শুনানি ছিল। রাজ্যের আর্জিতে সাড়া দিয়েও এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দিষ্ট আইনের কথা মনে করিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি আরএন ঘুগ। কর্মরত কোনও বিচারপতি নন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে চাইলে তদন্ত কমিশন গঠন করতে পারে রাজ্য সরকার।
মঙ্গলবার সেই শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কর্মরত বিচারপতিকে কমিশনে নিযুক্ত করা সম্ভব নয়।” তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী এবং বিচারপতির সংখ্যা পর্যাপ্ত নয় বলে কোনও কর্মরত বিচারপতিকে দিয়ে কমিশন গঠন সম্ভব নয়। তাই রাজ্য নিজের পছন্দমতো একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে কমিশন গঠন করতে পারে।
আরও পড়ুন:
শনিবার অর্থাৎ প্রথম সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবমুখর পরিবেশের মাঝেই কলকাতার বুকে নেমে আসে বিষাদ। বৃষ্টি আর ভিড়ের চাপে চোরবাগান সর্বজনীনের পুজোমণ্ডপের গেট ভেঙে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ১৯ জনের। পুজোর কলকাতায় এত বড় বিপর্যয়ের নজির সাম্প্রতিক অতীতে নেই। উৎসবের রেশ কেটে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, কোনও বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করে এর তদন্তের কথা বলেন। এও জানিয়েছিলেন, কলকাতা পুলিশ, দমকল বাহিনী এবং কলকাতা পৌর সংস্থার কোনও প্রতিনিধি থাকতে পারবে না। সেইমতো মুখ্যসচিব হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখে আবেদন জানান, তাঁর সুপারিশমতো কোনও বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করা হোক।
মঙ্গলবার সেই শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কর্মরত বিচারপতিকে কমিশনে নিযুক্ত করা সম্ভব নয়।” তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী এবং বিচারপতির সংখ্যা পর্যাপ্ত নয় বলে কোনও কর্মরত বিচারপতিকে দিয়ে কমিশন গঠন সম্ভব নয়। তাই রাজ্য নিজের পছন্দমতো একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে কমিশন গঠন করতে পারে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
