‘গুলি চালানোর প্রমাণ নেই’, ডিসেম্বরে প্রত্যাবর্তনের আগেই মামলায় স্বস্তি হাসিনার

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


জুলাই ছাত্র আন্দোলনের সময় শরীরে ৯টি গুলি লেগে আহত হওয়ার অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা-সহ ৭৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন নূর হোসেন নামের এক যুবক। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে। তদন্তকারীদের দাবি, এমন কোনও ঘটনা নাকি ঘটেইনি। ভুয়ো নথি দেখিয়ে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ একাধিক জনের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টার মামলা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে নূর হোসেন নামে ওই ব্যক্তি আহতই হননি। চিকিৎসার নথিপত্রও জাল করা হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফেরার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার। তার আগে বড়সড় স্বস্তি তাঁর।

তদন্তকারী অফিসার উইকিয়ামং রাখাইন জানান, মামলায় অভিযোগকারী নূর হোসেন চিকিৎসা সংক্রান্ত যে নথি জমা দিয়েছিলেন, তা সম্পূর্ণ ভুয়ো।

আরও পড়ুন:

শেখ হাসিনা-সহ আরও ৭৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। নূর হোসেন নামের ওই যুবক ২০২৪-এর ১ ডিসেম্বর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ ৭৬ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, জুলাই ছাত্র আন্দোলনের সময় তাঁকে ন’বার গুলি করা হয়েছিল এবং তিনি গুরুতর আহত হন। তদন্ত শেষে মহম্মদপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর উকিয়ামং রাখাইন গত ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। সেখানে তিনি শেখ হাসিনা এবং পরবর্তীতে গ্রেপ্তার হওয়া ৮ জন-সহ মোট ৮৪ জনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেন।

তদন্তকারী অফিসার উইকিয়ামং রাখাইন জানান, মামলায় অভিযোগকারী নূর হোসেন চিকিৎসা সংক্রান্ত যে নথি জমা দিয়েছিলেন, তা সম্পূর্ণ ভুয়ো। তদন্তকারী অফিসার আরও জানান, এই মামলায় আটজনকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। যদিও তাঁরা অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে আগেই জেলে ছিলেন। আদালত পরবর্তীতে তাঁদের এই মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাঁদেরও অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

গত বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের বেঞ্চে রিপোর্টটি পেশ করা হলে মামলাটির শুনানির দিন ধার্য হয়। এসআই মিজানুর রহমান জানান, “আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করেন এবং অভিযোগকারীকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন।” তিনি আরও জানান, পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ১ ডিসেম্বর। নূর হোসেন তাঁর এফআইআরের সঙ্গে বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা নেওয়ার কিছু কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন। ওই হাসপাতালের কোনও চিকিৎসকের কাছে কোনও চিকিৎসা করাননি। কার্যত নূর হোসেন আহতই হননি বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *