কাউন্সেলিং শেষ, শীঘ্রই চিকিৎসকদের সিনিয়র রেসিডেন্ট পদে নিয়োগ! বড় ইঙ্গিত স্বাস্থ্যকর্তার

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


একদিকে রোগীর চাপ, অন্য দিকে চিকিৎসকের ঘাটতি। জঙ্গলমহলের বৃহত্তম সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে দীর্ঘদিনের এই সংকট এবার কার্যত স্বীকার করে নিল স্বাস্থ্যদপ্তর। রবিবার বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে রাজ্যের ডিরেক্টরেট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন (ডিএমই) ইন্দ্রজিৎ সাহা জানান, সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের কাউন্সেলিং ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশনামা বেরোবে। তার পর রাজ্যের সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে।

চিকিৎসক ঘাটতির কথা কার্যত মেনে নিয়ে ইন্দ্রজিৎ বলেন, ‘‘যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা নানা সমস্যার মধ্যে থেকেও খাটাখাটনি করে কাজ করছেন।’’ তাঁর এই মন্তব্যে চিকিৎসকদের উপর অতিরিক্ত কাজের চাপের বিষয়টিও সামনে এসেছে। 

আরও পড়ুন:

রবিবার পুরুলিয়া ও রঘুনাথপুর মেডিক্যাল কলেজ পরিদর্শনের পর ইন্দ্রজিৎ সাহার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে। পরে দলটি খাতড়া মহকুমা হাসপাতাল-সহ বিভিন্ন দফতরও ঘুরে দেখে। হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং মানবসম্পদ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন আধিকারিকেরা। চিকিৎসক ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিএমই বলেন, ‘‘সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের কাউন্সেলিং সবেমাত্র শেষ হয়েছে। আর কয়েক দিন বাদেই নির্দেশনামা বেরোবে। রাজ্যের সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে।’’

হাসপাতাল সূত্রের খবর, বিশেষজ্ঞ ও সিনিয়র রেসিডেন্ট মিলিয়ে যেখানে অন্তত ৭৩ জন চিকিৎসক প্রয়োজন, সেখানে রয়েছেন মাত্র ৩২ জন। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেকেরও কম চিকিৎসক দিয়ে চলছে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিভাগ। শিশু, নিউরোলজি, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, গাইনি, ট্রমা কেয়ার-সহ একাধিক বিভাগে সেই ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ। প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ জন রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করতে হচ্ছে বলেও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ঘাটতির কথা কার্যত মেনে নিয়ে ইন্দ্রজিৎ বলেন, ‘‘যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা নানা সমস্যার মধ্যে থেকেও খাটাখাটনি করে কাজ করছেন।’’ তাঁর এই মন্তব্যে চিকিৎসকদের উপর অতিরিক্ত কাজের চাপের বিষয়টিও সামনে এসেছে।

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, নতুন চিকিৎসক নিয়োগ হলে পরিষেবার উপর চাপ কিছুটা কমবে। তবে শুধু সিনিয়র রেসিডেন্ট নিয়োগ নয়, দীর্ঘমেয়াদি পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ, নার্স, টেকনিশিয়ান ও সহায়ক কর্মী নিয়োগও জরুরি বলে মনে করছে হাসপাতালমহল। ডিএমই-র আশ্বাসের পর এখন নজর নির্দেশনামা প্রকাশ এবং বাস্তবে বাঁকুড়া মেডিক্যালে কত জন চিকিৎসক যোগ দেন, তার দিকে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *