এবার পাকিস্তানে লকডাউন! করোনা নয়, নতুন ‘বিপর্যয়’ পড়শি দেশে

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


ফের লকডাউনের পথে হাঁটতে চলেছে পাকিস্তান! মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সৃষ্ট উত্তেজনা এবং লোহিতসাগরে সৃষ্ট অস্থিরতার মধ্যেই নয়া কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। জ্বালানি সাশ্রয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যেই এই ‘স্মার্ট লকডাউন’। পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে সরকারি গাড়ি কেনার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা, সরকারি গাড়ির জন্য জ্বালানি বরাদ্দ ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনা এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবারের তালিকায় কেবল একটি পদের নিয়ম। এর আগে আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ শরুর পরপরই গত মার্চ মাসে একই ধাঁচের পদক্ষেপ করেছিল ইসলামাবাদ।

বৃহস্পতিবার পাকিস্তান প্রশাসনের তরফে এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, পূর্বে উল্লিখিত নির্দেশ ছাড়াও ফেডারেল কর্মীদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর তিন মাসের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, তবে এক্ষেত্রে কিছু বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। যেসব ক্ষেত্রে বিদেশ ভ্রমণ অপরিহার্য, সেসব ক্ষেত্রে মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাদের ‘ইকোনমি ক্লাস’-এ ভ্রমণ করতে হবে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধের সময়ও এগিয়ে আনা হয়েছে। দোকানপাট, বাজার, শপিং মল, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর এবং মুদি দোকানগুলোকে রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে বিয়ের হল, প্যান্ডেল এবং অনুষ্ঠানের আয়োজন করা অন্যান্য বাণিজ্যিক ভেন্যু রাত ১০টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে রেস্তরাঁ, ক্যাফে ও খাবারের দোকানগুলোকে রাত ১১টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে খাবার নিয়ে যাওয়ার (টেক অ্যাওয়ে) এবং বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার (হোম ডেলিভারি) সেবাকে এই সময়সীমার বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সৃষ্ট উত্তেজনা এবং লোহিতসাগরে সৃষ্ট অস্থিরতার মধ্যেই নয়া কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। জ্বালানি সাশ্রয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যেই এই ‘স্মার্ট লকডাউন’।

তবে বেশ কিছু জরুরি পরিষেবাকে এই বিধিনিষেধের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফার্মেসি, হাসপাতাল, ক্লিনিক, মেডিকেল ল্যাবরেটরি, জ্বালানি ও সিএনজি স্টেশন, বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) চার্জিং স্টেশন, জিম, খেলাধুলার কেন্দ্র, আইটি কোম্পানি এবং কল সেন্টার।

গত মার্চেও একই ছবি দেখা গিয়েছিল। সেই সময় জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ইসলামাবাদ দুই সপ্তাহের জন্য স্কুল বন্ধ রাখা, সরকারি কর্মকর্তাদের জ্বালানি ব্যবহার সীমিত করা এবং কর্মীদের ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করার মতো পদক্ষেপ করেছিল। এবারের নিষেধাজ্ঞা কতদিন জারি থাকে সেটাই এখন দেখার।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *