উৎসবের মরশুম একেবারে দোরগোড়া। যতই পুজো আসছে, ততই যেন সাজগোজ নিয়ে ভাবনাচিন্তা বাড়ছে ফ্যাশনিয়েস্তাদের। পুজোয় পোশাক নির্বাচন তো আর মুখের কথা নয়। মনের মতো রং, ডিজাইন তো রয়েছে। তার উপর আবার ট্রেন্ড মিলিয়ে পোশাক বাছেন কেউ কেউ। আর অষ্টমী অঞ্জলির সাজ নিয়েও মাথাব্যথা কম নয়। তবে শুধু ডিজাইন কিংবা ট্রেন্ডের কথা ভাবলেই চলবে না। অষ্টমীর অঞ্জলিতে শাস্ত্র এবং পুরাণ মতে পোশাকের রং নির্বাচনেই নাকি পূরণ হয় মনোস্কামনা।

আরও পড়ুন:
মহাষ্টমীতে অঞ্জলি দেওয়ার জন্য লাল রঙের কোনও বিকল্প নেই। এর পৌরাণিক ব্যাখ্যাও রয়েছে। আসলে দেবী দুর্গা যখন মহিষাসুর বধ করেছিলেন কখন নাকি রক্তবর্ণের বস্ত্র পরেছিলেন। তাঁর গলায় ছিল লাল জবার মালা। তাই লাল রংকে শক্তি এবং পবিত্রতার প্রতীক হিসাবেই ধরা হয়। তাই লাল রঙের পোশাক পরে অঞ্জলি দিতে পারেন। বিবাহিত মহিলারা লাল-সাদা পাড় কিংবা লাল-হলুদের মিশেলে কোনও শাড়ি বেছে নিতে পারেন।

পৌরাণিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী দেবী পার্বতী নাকি তপস্যার মাধ্যমে গৌরবর্ণা বা কাঁচা সোনার মতো গায়ের রং পেয়েছিলেন। আর সে কারণেই হলুদ রঙের পোশাকও অত্যন্ত শুভ। আনন্দ এবং সমৃদ্ধির প্রতীক হল এই রং। তাই হলুদ রঙের পোশাক পরে অঞ্জলি দিলে মনোস্কামনা পূরণ হয় বলেই শোনা যায়।

সবুজ আসলে নতুন প্রাণের সূচনা অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই এই রঙের পোশাক অত্যন্ত শুভ। দেবীর নবপত্রিকা রূপে যে ন’টি উদ্ভিদের পুজো হয়, তাও সবুজ। তাই দেবীর কৃপালাভের জন্য সবুজ রঙের পোশাক পরতে পারেন।

তবে অবশ্যই অষ্টমীর দিন কালো, গাঢ় নীল কিংবা ধূসর রঙের পোশাক পরবেন না। তাতে ভাগ্যদেবী অপ্রসন্ন হতে পারেন বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
