আঁকা শেখাতে গিয়ে ২ নাবালিকার ‘শ্লীলতাহানি’, গ্রেপ্তার হতেই বিজেপি নেতাকে তাড়াল দল

আঁকা শেখাতে গিয়ে ২ নাবালিকার ‘শ্লীলতাহানি’, গ্রেপ্তার হতেই বিজেপি নেতাকে তাড়াল দল

রাজ্য/STATE
Spread the love


দুর্নীতি, তোলাবাজি, নারী নির্যাতন-সহ একাধিক অভিযোগ সামনে এলেই ‘জিরো টলারেন্স’। এমনই বার্তা বিজেপি নেতৃত্ব সোজাসাপটা দিয়েছেন। অভিযোগ আসার পরে বিজেপি কর্মী-সহ স্থানীয় নেতারা দলীয় শাস্তির কোপেও পড়ছেন। সেই আবহে এবার দল থেকে বহিষ্কার এক বিজেপি নেতা। দুই নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার বিজেপির গ্রামাঞ্চল সাধারণ সম্পাদক। ঘটনা জানাজানি হতেই কালবিলম্ব না করে দল থেকে বহিষ্কার করা হল অভিযুক্তকে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের লক্ষ্মী জনার্দনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ধৃতের নাম দীপক মাইতি।

জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত বিজেপি নেতা তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া তিনি আঁকাও শেখাতেন। অভিযোগ, গতকাল, বৃহস্পতিবার আঁকা শেখানোর সময় দুই নাবালিকার সঙ্গে তিনি অশালীন আচরণ করেন। দু’জনের শ্লীলতাহানি করা হয়! বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ওই ছাত্রীদের পরিবারের ক্ষুব্ধ সদস্যরা অভিযুক্তকে পাকড়াও করেন। মারধর করে একটি চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়! খবর দেওয়া হয় পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের পর আজ, শুক্রবার সকালে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

দুই নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পকসো আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অভিযুক্তকে কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে তোলা হয়। অন্যদিকে, ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপির পক্ষ থেকে দীপক মাইতিকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এমনই জানিয়েছেন পাথরপ্রতিমা বিধানসভা কেন্দ্রে সংগঠনের আহ্বায়ক নন্দলাল বারুই। তিনি বলেন, “অন্যায় করলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আইনের উর্ধ্বে কেউই নয়। ধৃতের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।” তবে অভিযুক্ত দীপক মাইতি বলেন, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *