বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ফ্রান্স বনাম সেনেগাল বলতেই ফুটবলপ্রেমীদের মনে পড়ে যায় ২৪ বছর আগের একটা দিন। ২০০২ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আফ্রিকান দেশটির কাছে হেরে গিয়েছিল তখনকার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। বুধবার রাতের ম্যাচ চলাকালীন ফরাসিভক্তকুলের কি মনে পড়ছিল সেদিনের কথা? এদিন প্রথমার্ধে গোল না হলেও খেলা দেখে মনে হচ্ছিল, গত বিশ্বকাপের রানার্স নয়, ধারেভারে আসলে এগিয়ে রয়েছে সেনেগালই।
এই বিষয়ে আরও খবর
পূর্ণশক্তির দল নিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল ফ্রান্স। কিন্তু প্রথমার্ধে কিলিয়ান এমবাপেদের খানিক ফ্যাকাসে লাগছিল। ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিট ধরে যথেষ্ট দাপট ছিল সেনেগালের। সুযোগও এসেছিল ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার। সটান বারে গিয়ে লাগে জ্যাকসনের শট। হাফটাইমের ঠিক আগে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন সারও। আক্রমণের পাশাপাশি রক্ষণ মজবুত করতেও ভোলেনি সেনেগাল। তাই বেশ চেষ্টা করলেও গোল আসেনি ফ্রান্সের। ফলশ্রুতি, বিরতির সময় পর্যন্ত ম্যাচ ০-০।
কথায় বলে, ওস্তাদের মার শেষ রাতে। বিরতির পর থেকে দিদিয়ের দেশঁর ছাত্ররা ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরল। ফ্রান্সের আক্রমণের সামনে সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে শুরু করল। ৫৯ মিনিটে এমবাপেকে পেনাল্টি দেওয়া উচিত ছিল কিনা, সেই নিয়ে চর্চা চলবেই। তবে গোল করার অদম্য ইচ্ছা নিয়ে এদিন মাঠে নেমেছিলেন ফরাসি অধিনায়ক। তাঁর অপেক্ষার অবসান ঘটল ৬৬ মিনিটে। ডিফেন্সচেরা অনবদ্য পাস বাড়ালেন ওলিসে। পায়ের আলতো টোকায় একেবারে নিখুঁত ভঙ্গিতে গোলে বল ঠেলে দিলে এমবাপে।
৮০ মিনিটে দেম্বেলেকে তুলে বার্কোলোকে মাঠে নামালেন দেশঁ। ১৯০ সেকেন্ডে দুরন্ত গোল করলেন। অতিরিক্ত সময়ে এসে ফের গোল এমবাপের। ৯৬ মিনিটে দূরপাল্লার শট বিদ্যুৎগতিতে জড়িয়ে গেল তেকাঠিতে। চলতি বিশ্বকাপের ৫০তম গোল এল এমবাপের পা থেকে। সম্ভবত এখনও পর্যন্ত চলতি বিশ্বকাপের সেরা গোল।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর

