Youth climbed Tala bridge lamp put up | “শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে কথা বলতে চাই”, ল্যাম্পপোস্টে চড়ে যুবকের হাইভোল্টেজ ড্রামা, চলল স্টান্ট, তুলকালাম টালা ব্রিজে   

Youth climbed Tala bridge lamp put up | “শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে কথা বলতে চাই”, ল্যাম্পপোস্টে চড়ে যুবকের হাইভোল্টেজ ড্রামা, চলল স্টান্ট, তুলকালাম টালা ব্রিজে   

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ ব্যস্ত টালা সেতুর ওপর এক যুবকের ল্যাম্পপোস্টে চড়ে বসার জেরে চরম চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর কলকাতায় (Youth climbed Tala bridge lamp put up)। মঙ্গলবার বিকেলে সকলের চোখের সামনেই তরতরিয়ে ল্যাম্পপোস্টের একেবারে মাথায় চড়ে বসেন এক যুবক। সেখান থেকেই কখনও নানা কসরত দেখাতে শুরু করেন, আবার কখনও লাগাতার দাবি তুলতে থাকেন, ‘‘শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে কথা বলতে চাই।’’ এই অদ্ভুত ঘটনায় প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তীব্র যানজট ও চাঞ্চল্য তৈরি হয় গোটা এলাকায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ টালা সেতুর ওপর একটি ল্যাম্পপোস্টের সামনে এসে দাঁড়ান ওই যুবক। হঠাৎই সকলের অগোচরে ল্যাম্পপোস্ট ধরে অর্ধেকটা উঠে পড়েন তিনি। এর পর গায়ে থাকা জামাটি খুলে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে দেন। সেই অবস্থাতেই সোজা পোস্টের একদম মাথায় গিয়ে বসে পড়েন ওই যুবক।

মাথায় চড়ে বসার পর শুরু হয় তাঁর একের পর এক কাণ্ডকারখানা। পকেট থেকে মোবাইল বের করে নিচে জমা হওয়া সাধারণ মানুষকে কিছু ভিডিও দেখাতে শুরু করেন। এর পর নিজেই নিজের ফোন থেকে ভিডিও করতে শুরু করেন। ল্যাম্পপোস্টের রড ধরে কখনও শূন্যে ঝুলে পড়েন, আবার কখনও বিপজ্জনকভাবে বসে নানা স্টান্ট ও কসরত দেখাতে থাকেন।

যুবকের এই হিতাহিত জ্ঞানশূন্য কীর্তি দেখতে সেতু চত্বরে ভিড় জমান স্থানীয় পথচলতি মানুষজন। অনেকে গাড়ি থামিয়েও নিচে নেমে আসেন। সকলেই তাঁকে বারবার নিচে নেমে আসার অনুরোধ জানান, কিন্তু ওই যুবক কারোর কথাই কান দিতে রাজি ছিলেন না। মাঝে মাঝেই তাঁকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, ‘‘শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে কথা বলতে চাই।’’ এমনকি ক্ষিপ্ত হয়ে এও বলতে শোনা যায়, ‘‘ওসির ভুঁড়ি ফাটিয়ে দেব!’’

প্রায় ৪০ মিনিট ধরে ল্যাম্পপোস্টের মাথায় এভাবেই চূড়ান্ত নাটক চালিয়ে যান ওই যুবক। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় স্থানীয় থানা পুলিশ, দমকল বাহিনী এবং দুর্যোগ মোকাবিলা দল (Catastrophe Administration Power)। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর অবশেষে কলকাতা পুরসভার গাছ কাটার হাইড্রোলিক গাড়ি ঘটনাস্থলে এনে সেই গাড়ির সাহায্যে তাঁকে নিরাপদে নিচ নামানো হয়।

যুবকের এই আকস্মিক উপদ্রবের জেরে শ্যামবাজার থেকে চিড়িয়ামোড়ের দিকে যাওয়ার প্রধান সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। একের পর এক গাড়ি আটকে যাওয়ায় অফিস ফেরত যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হন। ঠিক কী কারণে ওই যুবক এমন বিপজ্জনক কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন এবং তাঁর মানসিক স্থিতি ঠিক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *