অনেকে পেয়েছেন। অনেকে আবার পাননি। কারও আবেদন বাতিল হয়ে গিয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে অসন্তোষ দেখা গিয়েছে মহিলাদের একাংশের মধ্যে। এই আবহে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী তথা মেখলিগঞ্জের বিধায়ক মালতি রাভা রায়। তিনি জানান, যাঁদের অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন বাতিল হয়েছে তাঁদের সকলের বাড়িতে যাবেন সরকারি কর্মীরা। কী কারণে আবেদন বাতিল হল তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর আশ্বাস, যোগ্য সকল মহিলাই এই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংকল্প পত্রে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বদলে অন্নপূর্ণা যোজনা চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। রাজ্যে ক্ষমতায় এসে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। প্রথম পর্যায়ে ২৮ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় ৩ হাজার টাকা করে পেয়েছেন। পরে ১ কোটি ৯ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পান। পরবর্তীতে আরও মহিলা এই প্রকল্পের আওতাধীন হবেন। তবে যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কয়েকজন মহিলার আবেদন বাতিল হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে অনেক জায়গায় বিক্ষোভও হয়েছে। এবিষয়ে শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মালতি রাভা রায় জানান, কাদের, কী কারণে আবেদন বাতিল হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। যাঁদের আবেদন বাতিল হয়েছে তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কারণ অনুসন্ধান করবেন সরকারি কর্মীরা। এই অনুসন্ধানের জন্য একটি জেলার দায়িত্ব এক এক জনকে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, তথ্য খতিয়ে দেখে অন্নপূর্ণা যোজনার ২৬ লক্ষ আবেদন বাতিল করা হয়েছে। এই তালিকায় থাকা মহিলাদের একাংশের দাবি, তাঁরা যোগ্য। কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রকল্পের টাকা তাঁরা পাননি। এই নিয়ে এবার তথ্য অনুসন্ধানের আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “সংকল্প পত্রে যে কথা দিয়েছিলাম তা খুব কম সময়ের মধ্যেই পূরণ করেছি। কয়েকটি আবেদনের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এত বড় কাজ। ক্ষমতায় আসার কয়েকদিনের মধ্যেই ১ কোটির বেশি মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। অনেক কারণে আবেদন বাতিল হতে পারে। তারপরেও আমরা এসডিও, বিডিও ও জিপিতে বাতিল হওয়া আবেদনগুলির তদন্ত করতে বলেছি। এই নিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। প্রকৃত যোগ্য মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
