বছর ঘুরলে পুরসভা ভোট। তার প্রস্তুতি মাথায় রেখে ‘মিশন বুথ’-এর লক্ষ্য নিল প্রদেশ কংগ্রেস। তার জন্য অবজার্ভারের জায়গায় এবার থেকে ‘ইনচার্জ’ পদের গুরুদায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হল নেতা-কর্মীদের। অবজার্ভাররা এতদিন জেলায় জেলায় গিয়ে অঞ্চল বা ব্লকভিত্তিক রিপোর্ট নিয়ে প্রদেশে জমা দিত। তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হত। কিন্তু এবার বুথভিত্তিক সংগঠন সাজাতে অবজারভারদের ইনচার্জ করার সিদ্ধান্ত হল। জেলা থেকে বুথ পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে এই ইনচার্জরা কাজ করবেন।
একেবারে তৃণমূলস্তরে ওয়ার্ড থেকে বুথভিত্তিক সংগঠন গড়ে কাজ করতে হবে। শহরে ৩টে ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে একজন ইনচার্জ থাকবেন। কোথাও কারও কাজে গাফিলতি ধরা পড়লে ইনচার্জরা নিজে দায়িত্ব নিয়ে তা শোধরাবেন।
আরও পড়ুন:
কংগ্রেসের রাজ্য পর্যবেক্ষক প্রকাশ যোশী প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকারকে নিয়ে দু’দিনের লাগাতার বৈঠকে জেলা সভাপতিদের স্পষ্ট করে দিয়েছেন, অবজার্ভার হয়ে শুধু বসে বসে দেখা নয়, ইনচার্জ হয়ে দায়িত্ব চাপিয়ে কাজ করতে হবে। বছরে মাঝে সাঝে গিয়ে অবজার্ভ করার বদলে প্রত্যেক মাসে জেলায় যেতে হবে। লোকসভা এমনকী, বিধানসভাভিত্তিক বৈঠকেও ইনচার্জরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করবেন।
ব্লক বা অঞ্চল শুধু নয়, একেবারে তৃণমূলস্তরে ওয়ার্ড থেকে বুথভিত্তিক সংগঠন গড়ে কাজ করতে হবে। শহরে ৩টে ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে একজন ইনচার্জ থাকবেন। কোথাও কারও কাজে গাফিলতি ধরা পড়লে ইনচার্জরা নিজে দায়িত্ব নিয়ে তা শোধরাবেন। এই মুহূর্তে যেমন পার্থ ভৌমিক, বিপ্রদাস চক্রবর্তী, রোহন মিত্র, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়রা এমন দায়িত্বে আছেন। তাঁদের দায়িত্ব আরও বাড়ানো হল। দরকারে গাফিলতিতে শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতাও থাকবে তাঁদের হাতে। প্রদেশ নেতৃত্ব ইনচার্জের থেকে সংগঠনের হাল হকিকত বুঝে নেবে। তাঁর ব্যর্থতাতেও দিতে হবে জবাব।
বুধবার লালবাজার চলো অভিযানের ডাক দিয়েছে প্রদেশ নেতৃত্ব। প্রদেশ সভাপতি জানিয়ে দিয়েছেন, পুলিশ লাঠিচার্জ করলে পালটা তাদের গোলাপ ফুল আর চকোলেট দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
