West Bengal Meeting Election | স্ট্রংরুম পাহারায় এবার পদ্মশিবিরের প্রমিলা বাহিনী! গণনার আগে রাজ্যজুড়ে নজরদারিতে বিজেপি

West Bengal Meeting Election | স্ট্রংরুম পাহারায় এবার পদ্মশিবিরের প্রমিলা বাহিনী! গণনার আগে রাজ্যজুড়ে নজরদারিতে বিজেপি

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটগণনার প্রাক্কালে বাংলার রাজনৈতিক উত্তাপ এবার আছড়ে পড়ল স্ট্রংরুমের দোরগোড়ায় (West Bengal Meeting Election)। ইভিএম-এর (EVM) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং শাসকদলের ‘তৎপরতা’ রুখতে এবার কোমর বেঁধে নামছে বিজেপি (BJP)। আগামী সোমবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা। তার আগে রবিবার সকাল থেকেই রাজ্যের প্রতিটি স্ট্রংরুমের (Strongroom) সামনে অবস্থানে বসছেন বিজেপির মহিলা কর্মীরা (BJP Ladies Employees)। মূলত সোমবার গণনাকেন্দ্রে প্রার্থীরা পৌঁছানোর আগে পর্যন্ত ইভিএম-এর সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবেন এই মহিলা কর্মীরাই।

দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিশেষ করে কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র এবং সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুম ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে সন্দেহজনক গতিবিধির অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসেন কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজার মতো হেভিওয়েট প্রার্থীরা। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং ভবানীপুরের স্ট্রংরুম সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে পাহারা দিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন দীর্ঘ সময়ের জন্য। পালটা হিসেবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনি এজেন্টকেও সেখানে নজরদারি চালাতে দেখা যায়। এই ধারাবাহিক টানাপোড়েনের রেশ ধরেই এবার রাজ্যজুড়ে পালটা প্রতিরোধের কৌশল নিল গেরুয়া শিবির।

শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতেও সিসিটিভি মনিটর বন্ধ হওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়ায়। যদিও কমিশন সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে সিসি ক্যামেরা সচল ছিল, কেবল প্রযুক্তিগত কারণে ডিসপ্লে মনিটরটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে কমিশনের আশ্বাসে ভরসা না রেখে ময়দানে নেমে সরাসরি পাহারার পথই বেছে নিল বিজেপি। দলের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুমের বাইরে দিন-রাত পাহারায় থাকবেন বিজেপির মহিলা সদস্যরা।

বিজেপির এই রণকৌশলে পাহারার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক সংযোগও থাকছে। গণনার আগের দিন অর্থাৎ রবিবার রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় প্রার্থীরা স্থানীয় মন্দিরে পুজো দেবেন। নিজ নিজ সংসদীয় এলাকায় সাংসদেরাও মন্দিরে গিয়ে  প্রার্থনা করবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গণনার আগে স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার এই প্রতিযোগিতা আসলে একে অপরের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরির কৌশল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *