Well being ideas | বিটরুট খাওয়ায় উপকারিতা জেনে নিন, যেভাবে বিটরুট খাওয়া কিডনির জন্য নিরাপদ

Well being ideas | বিটরুট খাওয়ায় উপকারিতা জেনে নিন, যেভাবে বিটরুট খাওয়া কিডনির জন্য নিরাপদ

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ বিটরুটকে বলা হয় সুপারফুড। এতে আছে প্রচুর উপকারী পুষ্টি উপাদান। হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে, শরীরে শক্তি জোগায়, প্রদাহ সৃষ্টিতে বাধা দেয়। বিটরুট খাওয়া এত উপকারী হলেও বেশি খাওয়া কিডনির জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। জেনে নিন কিভাবে খাবেন।

বিটরুটে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট আছে। নাইট্রেট রক্তনালিকে শিথিল করে। এতে রক্তসঞ্চালন সহজ হয়। তাই বিটরুট খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে, হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমে। খেলোয়াড়েরা বিটরুটের জুস খান। কারণ, এটি শরীরে অক্সিজেন বাড়ায়। অক্সিজেন এফিশিয়েন্সি বাড়লে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যায়াম বা খেলাধুলা করা যায়। সহজে ক্লান্তি আসে না। বিটরুটে বিটেইনস নামের উপাদান থাকে। এটি যকৃতকে কর্মক্ষম রাখে। শরীর থেকে সহজেই ক্ষতিকর পদার্থগুলো বেরিয়ে যায়। বিটরুটের আঁশ পেটের জন্য ভালো। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। পরিপাকতন্ত্র সুস্থ থাকে। বিটরুটের নাইট্রেট মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন বাড়ায়। এতে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়। স্মৃতিশক্তি বাড়ে। বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ আরও দক্ষতার সঙ্গে করা সম্ভব হয়। একারণে একটু বয়সীদের জন্য বিটরুট এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উপকারী। বিটরুটে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী যৌগ আছে। এসব যৌগ ফ্রি র‍্যাডিক্যাল প্রতিরোধ করে। ত্বক হয় পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। বিটরুটে ক্যালোরি কম, কিন্ত আঁশ বেশি। তাই বিটরুট খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। এতে ওজন কমানো সহজ হয়। সেদ্ধ করে খেলে ৮০ শতাংশ অক্সালেট দূর হয়ে যায়। পালংশাক, রেউচিনি, বাদাম ইত্যাদির সঙ্গে বিটরুট খাবেন না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *