Well being Advantages | হাড় মজবুত থেকে চোখের জ্যোতি, খুদে এই মাছেই লুকিয়ে সুস্থ থাকার চাবিকাঠি!

Well being Advantages | হাড় মজবুত থেকে চোখের জ্যোতি, খুদে এই মাছেই লুকিয়ে সুস্থ থাকার চাবিকাঠি!

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মাছপ্রেমী বাঙালির পাতে ইলিশ-ভেটকি বা রুই-কাতলার কদর বরাবরই বেশি। কিন্তু দামি ও বড় মাছের ভিড়ে আমরা কি হারিয়ে ফেলছি আসল পুষ্টি? বিশেষজ্ঞদের মতে, অবহেলিত ও কম দামি কাচকি মাছ স্বাদে যেমন অতুলনীয়, এর পুষ্টিগুণ শুনলেও আপনি চমকে যেতে বাধ্য (Well being Advantages)।

কেন খাবেন কাচকি মাছ?

গবেষণা বলছে, প্রতি ১০০ গ্রাম কাচকি মাছে প্রায় ১২–১৩ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন। যেহেতু এই মাছ কাঁটা সহ চিবিয়ে খাওয়া যায়, তাই শরীর পর্যাপ্ত ক্যালশিয়াম পায়, যা হাড় ও দাঁত মজবুত করতে অপরিহার্য।

হার্ট ও চোখের সুরক্ষা: হার্ট ভালো রাখতেও এই মাছের জুড়ি নেই। এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকায় দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয় এবং রাতকানার মতো রোগ প্রতিরোধ করা সহজ হয়। কম ক্যালোরিযুক্ত হওয়ায় যারা ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য এটি একটি ‘স্মার্ট ডায়েট’।

রান্নায় বৈচিত্র্য: কাচকি মাছ শুধু গুণেই নয়, স্বাদেও অনন্য। কাচকি মাছের চচ্চড়ি, মচমচে ভাজা বা ঝাল-ঝাল ভর্তা, যেকোনও পদেই এটি রসনাতৃপ্তি ঘটাতে সক্ষম। সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী হওয়ায় গ্রাম থেকে শহর, সব জায়গাতেই এই মাছ সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে।

শিশুদের বিকাশ ও রক্তস্বল্পতা রোধে: বেড়ে ওঠার সময় শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে কাচকি মাছ দারুণ কার্যকর। এতে থাকা ভিটামিন বি১২ ও জিঙ্ক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দূর করতে সাহায্য করে।

তাই বাজার করতে গিয়ে বড় মাছের মোহ কাটিয়ে মাঝেমধ্যে কাচকি মাছের ঝুড়িটাও টেনে নিন। সাশ্রয় আর সুস্বাস্থ্য—একই সঙ্গে মিলবে দুইয়ের স্বাদ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *