Washington | হামাসকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের,পণবন্দিদের না ছাড়লে এবার গাঁজা অভিযান

Washington | হামাসকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের,পণবন্দিদের না ছাড়লে এবার গাঁজা অভিযান

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


ওয়াশিংটন: বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পর এবার ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনিও এবার কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন প্যালেস্তিনীয় সশস্ত্র সংগঠন হরকত আল-মুকাওয়ামা আল-ইসলামিয়া (হামাস)-কে। বুধবার হামাসকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যদি হামাস অবিলম্বে সমস্ত পণবন্দিকে মুক্তি না দেয়, তাহলে গাজা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

নিজস্ব যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ট্রাম্প লিখেছেন, ‘সব পণবন্দিকে এখনই মুক্তি দাও, পরে নয়। নিহতদের দেহ ফিরিয়ে দাও। নাহলে তোমাদের অস্তিত্ব শেষ।’ হামাস নেতাদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ‘এটাই তোমাদের শেষ সতর্কবার্তা! যাদের যাওয়ার ইচ্ছা আছে, তারা এখনই গাজা ছেড়ে চলে যাও।’

ইজরায়েলের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, তাঁর প্রশাসন ইজরায়েলকে যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সব অস্ত্র ও সামরিক সহায়তা দিচ্ছে। যদিও হামাসের অভিযোগ, ট্রাম্পের হুমকির উদ্দেশ্য হল ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তি থেকে সরে আসতে সহায়তা করা এবং গাজার ওপর অবরোধ আরও কঠোর করা। দলের মুখপাত্র আবদেল লতিফ আল-কানুয়া বৃহস্পতিবার বলেন, ‘ইজরায়েলি বন্দিদের মুক্তির ঠিক পথ হল ইজরায়েলকে দ্বিতীয় ধাপে যেতে বাধ্য করা এবং মধ্যস্থতাকারীদের তত্ত্বাবধানে স্বাক্ষরিত চুক্তি মানতে বাধ্য করা।’

কেবল হামাস নয়, গাজার সাধারণ বাসিন্দাদেরও কড়া বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘গাজার জনগণ, তোমাদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে, তবে শর্ত একটাই- তোমরা একজনকেও আর বন্দি করে রাখতে পারবে না। সেটা করলে তোমরা একেবারে নির্মূল হয়ে যাবে।’

হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শেষ হয়েছে। ইজরায়েল চেয়েছিল যুদ্ধবিরতি আরও কয়েক সপ্তাহ বাড়াতে। তবে হামাস দাবি করেছিল, এটি ধাপে ধাপে স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পরিণত করতে হবে। কিন্তু ইজরায়েল তার কঠোর অবস্থান বজায় রেখে গাজায় খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছে।

ইজরায়েলের নতুন সেনাপ্রধান আইয়াল জামির বলেন, ‘হামাসকে বড় ধাক্কা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এখনও তারা সম্পূর্ণ পরাজিত হয়নি। তাই আমাদের মিশন এখনও শেষ হয়নি।’

ইউরোপের তিন দেশ ফ্রান্স, ব্রিটেন ও জার্মানি গাজায় বর্তমান মানবিক সংকটকে ‘ভয়াবহ’ আখ্যা দিয়ে গাজায় যাতে খাবারদাবার ও ওষুধপত্র প্রবেশে বাধা না দেওয়া হয়, তার জন্য ইজরায়েলকে অনুরোধ করেছে। এদিকে আমেরিকা এই প্রথম সরাসরি হামাসের সঙ্গে আলোচনা করেছে। ট্রাম্পের বিশেষ দূত অ্যাডাম বোহলার ওই আলোচনায় অংশ নেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, ‘মার্কিন নাগরিকদের স্বার্থরক্ষা করতে প্রেসিডেন্ট সংলাপের মাধ্যমে কাজ করার পক্ষে।’ ইজরায়েলও জানিয়েছে, তারা এই আলোচনার বিষয়ে অবহিত ছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *