Vande Mataram Necessary | সব মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক রাজ্যের, ‘অসাংবিধানিক’ তোপ বিকাশরঞ্জনের! হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জের হুঁশিয়ারি

Vande Mataram Necessary | সব মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক রাজ্যের, ‘অসাংবিধানিক’ তোপ বিকাশরঞ্জনের! হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জের হুঁশিয়ারি

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদে অনলাইন ডেস্ক: রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্কুল এবং মাদ্রাসাগুলিতে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করার (Vande Mataram Necessary) সরকারি নির্দেশের পরেই তৈরি হলো জোর রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে তীব্র আক্রমণ করলেন সিপিআইএম নেতা তথা বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। শুধু আক্রমণই নয়, উপযুক্ত সময়ে এই সরকারি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

গত ১৩ মে পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা বিভাগ একটি নির্দেশিকা জারি করে জানায়, এখন থেকে রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক। সেই সিদ্ধান্তের রেশ কাটতে না কাটতেই ১৯ মে মাদ্রাসা শিক্ষা ডিরেক্টরেটের তরফে আরও একটি নির্দেশ জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়, সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের অধীনস্থ রাজ্যের সমস্ত মাদ্রাসাতেও এই নিয়ম অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। আগের সমস্ত প্রথা বা নির্দেশ বাতিল করে এই নতুন নিয়ম চালু করার কথা জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।

এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “মাদ্রাসা ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করার চেষ্টা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক।” তিনি মনে করিয়ে দেন যে, কেন্দ্রের ‘বন্দে মাতরম’-এর ছয় স্তবক গাওয়া বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে একটি পিটিশন কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। বিকাশের কথায়, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার নতুন করে যে নির্দেশ দিয়েছে, তা অসাংবিধানিক। উপযুক্ত সময়ে আমি এই নির্দেশিকাগুলিকে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ জানাব।”

তবে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। তিনি স্পষ্ট ভাষায় প্রশ্ন তুলেছেন, “রাজ্যের অন্যান্য সরকারি স্কুলে যখন ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, তখন মাদ্রাসাকে আলাদা রাখা হবে কেন?”

অন্যদিকে, বিরোধীদের দাবি, সরকার ইচ্ছেকৃতভাবেই ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর এই ধরনের নির্দেশ চাপিয়ে দিচ্ছে। এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্কুল এবং মাদ্রাসায় জাতীয় স্তোত্র গাওয়া নিয়ে সরকারের এই ‘কড়া অবস্থান’ আগামী দিনে হাইকোর্টে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *