জয় মণ্ডল, মায়ামি: বিশ্বকাপের ব্যবসায়িক ও ক্রীড়া সাফল্যকে পুঁজি করে এবার ২০২৯ ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়ে নামতে চাইছে আমেরিকা (USA Eyes 2029 Membership World Cup)। টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক হিসেবে ইতিমধ্যেই তারা ফিফার সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে। তবে নির্বাচন প্রক্রিয়ার খুঁটিনাটি এখনও স্পষ্ট না হওয়ায় আমেরিকা আনুষ্ঠানিকভাবে দরপত্র জমা দেয়নি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বকাপ টাস্ক ফোর্সের চেয়ারম্যান অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি এবারের টুর্নামেন্টের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করে জানিয়েছেন, আমেরিকায় ফুটবল নিয়ে মানুষের চাহিদা এখন আকাশছোঁয়া।
ফিফার হিসেব অনুযায়ী, এবারের বিশ্বকাপে তারা ইতিমধ্যেই প্রায় ৬৫ লক্ষ টিকিট বিক্রি করেছে, যা তাদের ১১০০ কোটি ডলারের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাকে অনায়াসে ছাপিয়ে যাবে। তাই আমেরিকার মতো দেশে আরও একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করাটা ফিফার কাছেও লাভজনক। তাছাড়া মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে ফিফার সখ্য কারও অজানা নয়। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নির্বাসন যেভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে, তা সেই সম্পর্কেরই জ্বলন্ত প্রমাণ।
২০২৯ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই আয়োজক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার কথা। সাধারণত ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজক স্পেন বা মরক্কোকেই ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু ব্রাজিল এবং কাতারের মতো দেশও এই টুর্নামেন্ট আয়োজনে প্রবল আগ্রহী। ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপে ফিফা দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৮ করার যে পরিকল্পনা করেছে, তাতে ইউরোপীয় ক্লাবগুলির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। আর এখানেই আমেরিকার পরিকাঠামো এবং টিকিট বিক্রির আক্রমণাত্মক কৌশল তাদের অন্য দাবিদারদের থেকে অনেকটা এগিয়ে রাখছে।

