তুফানগঞ্জ: দুর্গাপুর গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল বিজেপি (BJP)। তুফানগঞ্জ থানায় (Tufanganj Police Station) ডেপুটেশন দেওয়ার কথা ছিল দলের। সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল তুফানগঞ্জ শহর এলাকা। লাঠি-সোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল-বিজেপি দুই পক্ষ। গোটা শহর জুড়ে তৈরি হয় তীব্র অস্থিরতা। বিজেপির বিধায়ক মালতি রাভাকে (MLA Malati Rava) ঘিরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা (TMC)। পরিস্থিতি এমন জটিল আকার নেয় যে, পুলিশের উপস্থিতিতেই শুরু হয় ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি। পার্টি অফিস থেকে বাইরে বেরোতেই বিজেপির ৯ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের কো-কনভেনার নিখিল গাবুয়াকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। যদিও বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসক দল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সোমবার জলপাইগুড়ির নাগরাকাটার (Nagrakata) দুর্যোগ কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ। কিন্তু বামনডাঙায় ঢোকার সময় হঠাৎ করেই তাঁদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। লাঠি, জুতো হাতে বিজেপি নেতাদের উপর চলে হামলা। শুধু তাই নয়, গাড়ি থেকে নামতেই তাঁদের লক্ষ্য করে শুরু হয় ইট বৃষ্টি। রক্তাক্ত পরিস্থিতি হয় বিজেপি সাংসদের। ইটের আঘাতে খগেন মুর্মুর চোখের নিচে হাড় ভেঙেছে। বর্তমানে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে খগেন মুর্মু (MP Khagen Murmu) চিকিৎসাধীন থাকলেও ছাড়া পেয়েছেন শংকর ঘোষ।
