Trump’s China Go to | তিনদিনের চিন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, ট্যারিফ যুদ্ধের বরফ কি এবার গলবে? 

Trump’s China Go to | তিনদিনের চিন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, ট্যারিফ যুদ্ধের বরফ কি এবার গলবে? 

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ব অর্থনীতির দুই মহারথী কি অবশেষে রণক্লান্তি ঝেড়ে হ্যান্ডশেক করতে চলেছেন? গত কয়েক মাস ধরে চলা বিধ্বংসী ‘ট্যারিফ যুদ্ধ’ বা শুল্ক লড়াইয়ের পর এবার সরাসরি চিনের মাটিতে পা রাখতে চলেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump’s China Go to)। তিনদিনের এই হাই-প্রোফাইল বেজিং সফরকে ঘিরে এখন আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে— তবে কি সত্যিই শুরু হতে চলেছে ইউএস-চায়না সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়?

বিগত কয়েক মাসে দুই দেশের বাণিজ্যিক টানাপোোড়েন চরম আকার ধারণ করেছিল। চিনা পণ্যের উপর ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসন শুল্ক বাড়িয়ে ১৪৫ শতাংশে নিয়ে যায়। জবাবে বেজিংও ছেড়ে কথা বলেনি, আমেরিকান পণ্যে ট্যারিফ ৮৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশ করে দেয়। তবে বুধবার রাতে ট্রাম্পের বেজিং পৌঁছোনোর আগে পরিস্থিতি কিছুটা থিতু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য পরিষ্কার— আমেরিকার (US) অর্থনৈতিক সুরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তাকে অক্ষুণ্ণ রেখে বাণিজ্যের নতুন পথ প্রশস্ত করা।

এই সফরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে চলেছে ‘ইউএস-চায়না বোর্ড অফ ট্রেড’ এবং ‘বোর্ড অফ ইনভেস্টমেন্ট’ গঠন।

বোর্ড অফ ট্রেড: এটি মূলত দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্য এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিষয়টি তদারকি করবে। শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতা সরাসরি সরকারি স্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করাই এর লক্ষ্য।

বোর্ড অফ ইনভেস্টমেন্ট: এই মঞ্চটি বিনিয়োগের পথ সুগম করবে। এক দেশের কোম্পানি অন্য দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত কী কী সুবিধা পাবে, তা নিয়ে কাজ করবে এই বোর্ড।

চিন সফরের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন ট্রাম্প। কৃষি, জ্বালানি এবং বিমান শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বড় ধরনের চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। আমেরিকার দাবি, ট্রাম্প এমন চুক্তিতেই সই করবেন যা সে দেশের শ্রমিক ও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করে। বৈঠকের পাশাপাশি দুই রাষ্ট্রপ্রধান একসঙ্গে ‘টেম্পল অফ হেভেন’ পরিদর্শনে যাবেন, যা কূটনৈতিক সৌজন্যের এক বড় ইঙ্গিত।

কূটনৈতিক মহলের ধারণা, এই সফরের সফল সমাপ্তি ঘটলে চলতি বছরের শেষ দিকে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং তাঁর স্ত্রী পেং লিয়ুয়ানকে ওয়াশিংটনে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন ট্রাম্প। শুক্রবার মধ্যাহ্নভোজের পর ট্রাম্পের চিন ত্যাগের সঙ্গেই স্পষ্ট হবে, বিশ্ব বাণিজ্য কি সত্যিই কোনো নতুন যুগের সূচনায় পা রাখল, নাকি পর্দার আড়ালে রয়ে গেল অন্য কোনো সমীকরণ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *