Trump vs Khamenei Battle | খামেনেইকে আক্রমণ মানেই যুদ্ধ! ট্রাম্পকে পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের, ঘনিয়ে আসছে সংঘাতের মেঘ

Trump vs Khamenei Battle | খামেনেইকে আক্রমণ মানেই যুদ্ধ! ট্রাম্পকে পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের, ঘনিয়ে আসছে সংঘাতের মেঘ

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের (Trump vs Khamenei Battle) মধ্যে বাক্যযুদ্ধ এবার চরম সীমায় পৌঁছেছে। খামেনেই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে ট্রাম্পের (Donald Trump) প্রকাশ্য আহ্বানের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তেহরান পাল্টা হুমকি দিয়ে জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার ওপর কোনো আঘাত আসলে তাকে সরাসরি ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি এখন অগ্নিগর্ভ।

ট্রাম্পের আক্রমণ ও ইরানের জবাব: সম্প্রতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প ইরান সরকারকে ‘অযোগ্য’ ও ‘অসুস্থ’ বলে আক্রমণ করেন। তিনি সাফ জানান, খামেনেই নিজের দেশ ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর এবং এখনই ইরানে নেতৃত্ব বদলের উপযুক্ত সময়। এর জবাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান (Masoud Pezeshkian) সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “যেকোনো মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরা কড়া জবাব দিতে প্রস্তুত। খামেনেইয়ের ওপর আক্রমণ মানে গোটা দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।”

ইরানের অভ্যন্তরীণ সংকট ও দমননীতি: ইরানের ভেতরে এখন ত্রাহি ত্রাহি দশা। মূল্যবৃদ্ধি, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং কট্টরপন্থী শাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। খামেনেই সরকারের দমননীতিতে নিহতের সংখ্যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ইরানের দাবি অনুযায়ী সংখ্যাটি ৫ হাজার হলেও, মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, নিহতের সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রতিবাদীদের দেখামাত্র মাথায় গুলি করা এবং নাগরিকদের বিরুদ্ধে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

নেপথ্যে আমেরিকা-ইজরায়েল যোগসাজশ? অন্যদিকে, খামেনেই এই পরিস্থিতির জন্য সরাসরি দায়ী করেছেন ওয়াশিংটন এবং তেল আভিভকে। তাঁর দাবি, দেশের অস্থিরতা ও সরকারি সম্পত্তি নষ্টের নেপথ্যে আমেরিকা ও ইজরায়েলের মদত রয়েছে। ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের ‘মহিমান্বিত’ করছেন বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় জমানায় ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে বড়সড়ো সামরিক সংঘর্ষের সূত্রপাত হতে পারে। একদিকে দেশের ভেতরে গণবিক্ষোভ, অন্যদিকে বাইরে আমেরিকার সামরিক চাপ— এই সাঁড়াশি আক্রমণে খামেনেই সরকার এখন কোণঠাসা। এখন প্রশ্ন হলো, ট্রাম্প কি সত্যিই ইরানের শাসনব্যবস্থা বদলে দিতে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করবেন?



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *