Training For All | অন্ধকার ঘুচিয়ে আলোর পথে, গঙ্গারামপুরে ৩ স্কুলছুট কিশোরীকে বিদ্যালয়ে ফেরাল জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ

Training For All | অন্ধকার ঘুচিয়ে আলোর পথে, গঙ্গারামপুরে ৩ স্কুলছুট কিশোরীকে বিদ্যালয়ে ফেরাল জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


গঙ্গারামপুর: (Training For All ) দারিদ্র্য আর পারিবারিক অনটনের অন্ধকার সরিয়ে তিন কিশোরীর হাতে নতুন করে বই-খাতা তুলে দিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ (Authorized Providers Authority)। বুধবার গঙ্গারামপুর ব্লকের পার্বতীপুর জামডাঙ্গা গ্রামের তিন স্কুলছুট কিশোরী—পিংকি কর্মকার, সাগরী কর্মকার ও রিয়া কর্মকারকে মির্জাপুর জুনিয়র হাই স্কুলে ভর্তি করিয়ে শিক্ষার মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনল এই সংস্থা।

নিজেদের গ্রামে প্রচার চালানোর সময় সংস্থার অধিকার মিত্র (পিএলভি) গোলাম রাব্বানী প্রথম জানতে পারেন এই তিন কিশোরীর করুণ অবস্থার কথা। পিংকির বাবা পরিবার ছেড়ে চলে গিয়েছেন, সাগরীর বাবা পরলোকগত এবং রিয়ার মা কর্মসূত্রে ভিনরাজ্যে থাকেন। আর্থিক সঙ্কটে তাদের পড়াশোনা কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি জানার পর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সেক্রেটারি তথা বিচারক কেয়া বালার নির্দেশে দ্রুত পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এদিন পিংকিকে অষ্টম, সাগরীকে ষষ্ঠ এবং রিয়াকে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়েছে। ভর্তির প্রক্রিয়া সারতে গোলাম রাব্বানী নিজেই টোটো চালিয়ে কিশোরী ও তাদের অভিভাবকদের বিদ্যালয়ে নিয়ে যান। স্কুলের টিআইসি অমলেশ চন্দ্র রায় এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, “প্রতি বছরই জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় স্কুলছুটদের ফিরিয়ে আনা হয়, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।” নতুন স্কুলব্যাগ ও খাতা-কলম পেয়ে খুশি তিন পড়ুয়াই। তাঁদের পরিবারের কথায়, জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের এই সাহায্য না থাকলে হয়তো মেয়েদের পড়াশোনা চিরকালের মতো থমকে যেত। পড়াশোনা শেষে তিন কিশোরীই এখন বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *