উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দলের নাম, প্রতীক ব্যবহার করে কর্মী ও সমর্থকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা। এবার এই অভিযোগ তুলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee) সহ বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে থানার দ্বারস্থ হল কালীঘাট তৃণমূল (TMC)। সাংসদ দোলা সেন কালীঘাট এবং নিউটাউন থানায় এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন (Police Criticism)।
অভিযুক্তদের তালিকায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রয়েছেন অরূপ রায়, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা ও বিপ্লব মিত্র। গত সোমবার নিউটাউনের একটি হোটেলে তৃণমূলের নাম করে একটি ‘বিশেষ অধিবেশন’ ডাকেন ঋতব্রতরা। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়াই একটি জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করা হয়। এই ঘটনাকে সমান্তরাল সংগঠন চালানোর অপচেষ্টা বলে দাবি করেছে কালীঘাট তৃণমূল।
দোলার অভিযোগ, দলের গঠনতন্ত্রকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ঋতব্রত নিজেকে ‘সাধারণ সম্পাদক’ বলে দাবি করছেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ। শনিবার জাভেদ ও সন্দীপন এই পরিচয় দিয়েই কাউন্সিলরদের বৈঠকে ডেকেছিলেন। দলের নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সংগঠন ও ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, এই বিদ্রোহের নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং বিদ্রোহী শিবিরের প্রচারের খরচ কোথা থেকে আসছে, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন দোলা সেন।
এই বিষয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘অভিযোগ যে কেউ জানাতেই পারেন। তবে দেশে আইন ও নির্বাচন কমিশন রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থার উপর আমাদের আস্থা আছে।’ অন্যদিকে, কালীঘাট তৃণমূলের দাবি, রাজনৈতিক ফায়দা লুঠতেই একশ্রেণির নেতা দলের অন্দরে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগপত্রে অবিলম্বে এফআইআর দায়ের করে এই ঘটনার ‘স্বচ্ছ ও সবিস্তার’ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে এখন নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।

