Tingling Fingers & Toes | প্রায়শই হাত-পায়ে ঝিঁঝি ধরে! কোনও শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত নয় তো?

Tingling Fingers & Toes | প্রায়শই হাত-পায়ে ঝিঁঝি ধরে! কোনও শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত নয় তো?

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘক্ষণ হাতের উপর চাপ পড়লে বা একই ভঙ্গিতে বসে থাকলে হাত-পায়ে যে অসাড় অনুভূতি তৈরি হয়, সেটিকেই আমরা সাধারণত ‘ঝিঁঝি ধরা’ বলে থাকি (Tingling Fingers & Toes)। ঝিঁঝি ধরলে প্রথম ধাপে মনে হয় যেন ত্বকের ভিতর অসংখ্য পিঁপড়ে হেঁটে বেড়াচ্ছে। দ্বিতীয় ধাপে হাত বা পায়ের সংশ্লিষ্ট অংশটি অসাড় হয়ে আসে। তৃতীয় ও শেষ ধাপটি শুরু হয় চাপ অপসারণ করার পর। এই সময়ে মনে হয় কেউ যেন অসংখ্য সূচ দিয়ে একসঙ্গে ওই অংশে খোঁচা দিচ্ছে। তবে সাধারণত কিছুক্ষণের সেই অস্বস্তিকর অনুভূতি চলে গিয়ে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে।

মূলত বসা বা শোয়ার সময় শরীরের যে কোনও জায়গায় থাকা স্নায়ুতে চাপ পড়তে পারে। ফলে শরীরের ওই অংশ থেকে তথ্য মস্তিষ্কে ঠিকভাবে পৌঁছোতে পারে না। ফলে শরীরের ওই অংশে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এর ফলে ঝিঁঝি ধরতে পারে। এই পরিস্থিতি থেকে চাপ অপসারিত হলে, একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ রক্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে প্রবাহিত হয়। প্রচুর পরিমাণ তথ্য মস্তিষ্কে প্রবাহিত হতে শুরু করে। ফলে সূচ ফোটার অনুভূতি তৈরি হয়। তবে প্রায়শই হাত-পায়ে ঝিঁঝি ধরা কোন শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে?

১. অন্তঃসত্ত্বা অবস্থার শেষের পর্যায়ে যখন শিশুর ওজন বাড়তে শুরু করে, তখন জরায়ুর চাপে পায়ের স্নায়ুগুলির উপর চাপ পড়তে শুরু করে। সেই সময় হবু মায়েদের ঝিঁঝির সমস্যা হয়।

২. যখন শরীরের থাইরয়েড গ্রন্থি ঠিকমতো থাইরয়েড হরমোন ক্ষরণ করতে পারে না তখনও হাতে-পায়ে ঝিঁঝি ধরে।

৩. দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবিটিসে ভুগলে তার প্রভাব পড়ে স্নায়ুর উপর। স্নায়ুর এই সমস্যার কারণেই ডায়াবেটিকদের মাঝেমধ্যেই পায়ে ঝিঁঝি ধরে।

৪. ভিটামিন বি ১ ও বি ১২-এর প্রভাবে সারা শরীরে স্নায়ুগুলি ঠিকমতো কাজ করে। শরীরে এই ভিটামিনগুলির ঘাটতি হলেও ঝিঁঝি ধরার সমস্যা বেড়ে যায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *