‘প্রতিটি সম্পর্কের গায়ে চেটানো থাকে এক্সপায়ারি ডেট’। কবি রঞ্জন আচার্যের এই পঙক্তিতে ধরা রয়েছে এক সত্য। কিন্তু কোনও সত্যই নিখুঁত নয়। এক্ষেত্রেও একথা বলাই যায়। বহু সম্পর্কই খাদের কিনারে যেতে যেতে ফিরে আসতেও পারে। প্রয়োজন সদিচ্ছার। কেবল সদিচ্ছাই নয়। দরকার নিজের ভুলগুলো শুধরে নেওয়াও। জানেন কি, এই চারটি ভুলের কারণে আপনার সম্পর্ক রোজ একটু একটু করে ভেঙে যাচ্ছে।
‘আমি ঠিক আছি’ বলা বন্ধ করুন
আরও পড়ুন:
কিছু হলেই ‘‘আমি ঠিক আছি” বলাটা হয়তো অভ্যাস হয়ে যায়। কিন্তু এই কথাটার গভীরে থাকে বিষ! এক সংস্থার দাবি, ৩৯ শতাংশ মানুষ নিজের সঙ্গীকে রোজদিন এই বাক্যটা বলে থাকেন। মনোবিদরা বলছেন, দিনের পর দিন এই ধরনের সংলাপে আসলে সম্পর্কের মাঝে থাকা সেতুটাই ভেঙে যেতে থাকে।
‘শান্তি’ বজায় রাখতে এড়িয়ে যাওয়া!
২৮ শতাংশ মানুষই সম্পর্কের ‘শান্তি’ বজায় রাখতে ঝগড়ার পরিস্থিতিকে জাস্ট এড়িয়ে যান। আর এই প্রবণতাই সম্পর্কটাকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে! মনোবিদরা বলছেন এটাই চরম ভুল। কেননা ঝগড়া ব্যাপারটা আপাতভাবে যতই ‘নেগেটিভ’ মনে হোক না কেন, বহু ঝগড়াই শেষপর্যন্ত অনেক ভুল বোঝাবুঝিতে লাগাম টানতে পারে।
কান খুলে শুনুন
সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার সময় কেবল নিজের কথা বলেন? এটা ঠিকই, আমাদের সব সময় মনে হয় আমরাই ঠিক। কিন্তু এই ‘জিতে যাওয়ার’ চেষ্টায় মনের মানুষটি যে আরও দূরে সরে যাচ্ছে! মনে রাখবেন মনের সম্পর্কের সমীকরণ ভিন্ন। মনোবিদরা বলছেন, দু’জনেই নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা না করে চেষ্টা করুন একে অপরকে বুঝতে। না হলে সম্পর্ক কখন প্রতিযোগিতায় পরিণত হবে ধরতেও পারবেন না।
সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার সময় ফোন স্ক্রোলিং! নৈব নৈব চ
সমীক্ষা বলছে, ৩১ শতাংশ মানুষ স্বীকার করেছেন যে সঙ্গীর সাথে কথা বলার সময়ও তাঁরা ফোনে স্ক্রল করতে থাকেন। মনোবিদদের দাবি, এটা সাংঘাতিক প্রবণতা। এই সামান্য মনোযোগ-বিচ্যুতি আপাতভাবে সাধারণ মনে হতে পারে। কিন্তু ক্রমে এটা অভ্যাসে পরিণত হলে উলটো দিকে থাকা মানুষটার মনে হতে পারে, তাঁর দিকে মনোযোগ দেওয়ার চেয়ে অন্য কোনও বিষয় বুঝি অনেক বেশি আকর্ষণীয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
