Tea Business | চায়ে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, উন্নয়নের নীল নকশা তৈরি করতে বৈঠক টি বোর্ডের

Tea Business | চায়ে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, উন্নয়নের নীল নকশা তৈরি করতে বৈঠক টি বোর্ডের

শিক্ষা
Spread the love


শুভজিৎ দত্ত, নাগরাকাটা: উত্তরবঙ্গের চা শিল্পের (Tea Business) উন্নয়নে আগামী ৫ বছরের নীল নকশা তৈরি করতে বৈঠক করল টি বোর্ড (Tea Board)। মঙ্গলবার শিলিগুড়ি (Siliguri) চা নিলামকেন্দ্রে আয়োজিত ওই বৈঠকে প্রথমে বড় বাগানগুলির কাছ থেকে তাদের মতামত আহ্বান করা হয়। পরে আলাদা করে বৈঠক হয় ক্ষুদ্র চা চাষিদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে।

টি বোর্ড জানিয়েছে, ষষ্ঠদশ অর্থ কমিশনের আওতায় টি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড প্রোমোশন স্কিমের মাধ্যমে চা শিল্পের জন্য কী ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন তা সংশ্লিষ্ট সমস্ত অংশীদারের কাছ থেকে বুঝে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেেপর জন্যই এদিনের বৈঠক।

বড় চা বাগানগুলির বিভিন্ন বণিকসভার তরফে এদিন পুরোনো চা গাছ উপড়ে ফেলে নতুন গাছ রোপণ সহ ফ্যাক্টরির আধুনিকীকরণের জন্য বকেয়া থাকা ভরতুকি মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। টেরাই ইন্ডিয়ান প্ল্যান্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (টিপা)-এর চেয়ারম্যান মহেন্দ্র বনসল বলেন, ‘পুরোনো ভরতুকি প্রদান সহ নতুন করে ভরতুকি চালু ও এজন্য স্ক্রিনিং কমিটির পুনরুজ্জীবনের কথাও টি বোর্ডকে বলা হয়েছে। রপ্তানিতে উৎসাহ জোগাতে অর্থডক্স ক্যাটিগোরির চায়ের ক্ষেত্রে বাগানগুলিকে কিলো প্রতি ২৫ টাকা ও দার্জিলিংয়ের চায়ের ক্ষেত্রে সেখানকার বাগানগুলির জন্য কিলো প্রতি ৫০ টাকা ভরতুকি প্রদানের কথাও জোরালোভাবে জানানো হয়েছে।’ সেচের ক্ষেত্রেও বড় বাগানগুলিকে ভরতুকি প্রদান এখন যে সময়ের চাহিদা হয়ে দাঁড়িয়েছে, এটাও যাতে টি বোর্ড তাদের আগামী ৫ বছরের কাজের পরিকল্পনায় যুক্ত করে সেকথাও আলোচনায় উঠে আসে।

বৈঠকে উত্তরবঙ্গের সবক’টি ক্ষুদ্র চা চাষিদের সংগঠনের যৌথ মঞ্চ ইউনাইটেড ফোরাম অফ স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফেও একাধিক দাবিদাওয়ার কথা জানানো হয়। মঞ্চের সভাপতি রজত রায় কার্জি বলেন, ‘কাঁচা পাতার দাম যাতে বাড়ে এই বিষয়ে টি বোর্ডের যথোপযুক্ত পদক্ষেপ ছিল আমাদের অন্যতম মূল দাবি। এজন্য দ্রুত কাঁচা পাতার ন্যূনতম দাম বা মিনিমাম সাসটেনেবল প্রাইস ঠিক করে দেওয়ার পদ্ধতি তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়।’

জলপাইগুড়ি জেলা ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির সম্পাদক বিজয়গোপাল চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বর্তমানে ক্ষুদ্র চা চাষিদের স্বনির্ভর গোষ্ঠী বা সমবায়গুলিকে হেক্টর প্রতি ১০ হাজার টাকা ভরতুকি প্রদানের যে নিয়ম চালু আছে পরবর্তী পরিকল্পনায় তা ব্যক্তিগতভাবে সমস্ত ক্ষুদ্র চা চাষিকে যাতে দেওয়া হয় এমন নীতি তৈরির দাবি জানানো হয়েছে।

এদিনের বৈঠকে ছিলেন টি বোর্ডের কলকাতার সদর কার্যালয়ের উপনির্দেশক রাকেশ কুমার, শিলিগুড়ি কার্যালয়ের উপনির্দেশক কমলচন্দ্র বৈশ্য, চা বণিকসভা আইটিপিএ-র কর্তা শুভঙ্কর মিত্তাল, টাই-এর উত্তরবঙ্গ শাখার সচিব সুমিত ঘোষ, চা শিল্পপতি দীপক বারেলিয়া, সতীশ মিত্রুকা, টি বোর্ডের সদস্য সুরজিৎ পুরবক্সী, সুশীল বারেলিয়া, অশোক গোয়েল, চা গবেষণা সংস্থার (টিআরএ) উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের চিফ অ্যাডভাইজারি অফিসার ডঃ শ্যাম ভার্গিস, সংস্থার তরাই শাখার অ্যাডভাইজারি অফিসার ডঃ তৃণা মণ্ডল প্রমুখ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *