Tea backyard land grabbing conspiracy | চা বাগানের জমি দখলের ছক, শ্রমমন্ত্রীর নিশানায় পূর্বতন সরকারের ‘এসওপি’ নীতি!

Tea backyard land grabbing conspiracy | চা বাগানের জমি দখলের ছক, শ্রমমন্ত্রীর নিশানায় পূর্বতন সরকারের ‘এসওপি’ নীতি!

শিক্ষা
Spread the love


নীতেশ বর্মন, শিলিগুড়ি: রবিবার শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরকন্যায় চা বাগানের মালিকপক্ষ ও শ্রমিক সংগঠনগুলিকে নিয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টার বৈঠকের পর পূর্বতন সরকারের নীতি নিয়ে সরব হন শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল সরকারের আমলে এসওপি গড়ে চা বাগান চালু করার আড়ালে জমি দখলের (Tea backyard land grabbing conspiracy) পরিকল্পনা চলছিল। টি ট্যুরিজমের নামে বাগানের জমিতে হোটেল, রিসর্ট তৈরির চক্রান্ত হয়েছিল। বিজেপির সাংসদ-বিধায়করা এর বিরুদ্ধে লড়াই করলে তাঁদের ধমক ও চাপ দিয়ে চুপ করিয়ে রাখার পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে বন্ধ বাগান না খুললে মালিকদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘নেত্রী মমতা এবং ভাইপো মিলে চা বাগানগুলিকে দখল করার জন্য নতুন কৌশল তৈরি করেছিলেন। যে কোনও কায়দায় কারখানাগুলি বন্ধ করার চক্রান্ত হয়েছিল। একটি গোষ্ঠী সুব্রত বক্সীর আত্মীয়স্বজনদের সামনে রেখে বাগান ও কারখানাগুলি দখল করার চেষ্টা চালিয়েছে।’ তাঁর আরও অভিযোগ, ‘চা বাগানের ৩০ শতাংশ জমিতে চা পর্যটনের আড়ালে হোটেল ও রিসর্ট বানানোর এক গভীর চক্রান্ত চলেছিল। বিগত সরকারের নির্দেশে কিছু সরকারি আধিকারিকও এই দুর্নীতির শরিক ছিলেন।’

রবিবারের বৈঠকে শ্রমিকদের পিএফ, গ্র্যাচুইটি ও বকেয়া মজুরি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শ্রমিকদের প্রাপ্য টাকা না দিয়ে কোনও মালিক পার পাবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী। শ্রমিকদের বঞ্চনা করলে এফআইআর করা হবে বলে জানিয়েছেন। অর্জুন বলেন, ‘যে যে মালিকপক্ষ বাগান বন্ধ করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অনেকে বৈঠকে এসেছিলেন। অনেকে আসেননি। যাঁরা আসেননি, পিএফ, গ্র্যাচুইটি, মজুরি বাকি থাকলে তাঁদের নামে অভিযোগ দায়ের হবে। যাঁরা এসেছেন এবং বলেছেন বাগান চালাবেন, তাঁদের সমস্ত সহযোগিতা করা হবে।’ বন্ধ বাগান খোলার জন্য মালিকদের এক মাস সময় দিয়েছেন মন্ত্রী। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাগান চালু না হলে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

তবে রাজ্যে বন্ধ চা বাগানের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। শ্রমমন্ত্রীর কথায়, ‘কেউ বলছে ১২টা, কেউ বলছে ১৮টা বাগান বন্ধ। কিছু কিছু জায়গায় আবার স্থানীয়রাই চা পাতা তুলে বিক্রি করে দিচ্ছে। চারদিকে অরাজকতা।’ সরকারি আধিকারিকদের তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ২ দিনের মধ্যে সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে জেনে তাঁকে জানাতে হবে।

বৈঠকে শ্রমিক সংগঠনগুলির তরফে একাধিক দাবি তোলা হয়। বঙ্গীয় চা মজদুর সংঘের রাজ্য সভাপতি বিশ্বজিৎ গুহ বলেন, ‘চা বাগানের পলিসি কঠোরভাবে রূপায়ণ করার আবেদন রাখা হয়েছে।’ ভারতীয় টি ওয়ার্কার ইউনিয়নের সভাপতি যুগলকিশোর ঝা বলেন, ‘পিএফ, গ্র্যাচুইটি না দেওয়া বাগানগুলির বিরুদ্ধে মন্ত্রীর নির্দেশে মামলা করব।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *