উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: শরীরের নানা অংশে ট্যাটু করা এখন বেশ জনপ্রিয়। বিগত কয়েক বছরে সাজসজ্জার অঙ্গ হয়ে উঠেছে ট্যাটু। তবে ট্যাটু করতে হলে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক হওয়া অবশ্যই দরকার। কারণ এই ট্যাটুর কালি অনেক সময় অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। অনেক কালিতেই নিকেল, ক্রোমিয়াম, কোবাল্টের মতো ধাতু, খনিজ থাকে। যা থেকে অ্যালার্জি হওয়া প্রায় স্বাভাবিক। এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির সম্ভাবনাও থেকে যায় এর থেকে। তাই ত্বকের কোনও ক্ষতি এড়াতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত? তা জেনে নিন (Tattoo Precautions)।
স্বাস্থ্যবিধি
যে স্টুডিও থেকে ট্যাটু করাচ্ছেন সেখানে স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হয় দেখা দরকার। হাইপো অ্যালার্জিক কালি ব্যবহার হলে ঝুঁকি কম থাকে। তাছাড়া একবারই ব্যবহারযোগ্য স্টেরেলাইজ নিডল বা সূচ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা প্রয়োজন। দস্তানা পরে কাজটি করলেও সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
প্যাচ টেস্ট
ত্বকের ধরন স্পর্শকাতর হলে ট্যাটু করানো ঝুঁকিসম্পন্ন হতে পারে। সে কারণেই জরুরি প্যাচ টেস্ট। যদি ত্বকের অনেকটা অংশ জুড়ে ট্যাটু করাতে হয়, তাহলে অবশ্যই অল্প একটু স্থানে কালি ব্যবহার করে দেখা দরকার ত্বকে জ্বালা, চুলকানি, ফুলে যাওয়া, লাল হয়ে যাওয়ার মতো কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না।
ট্যাটু করানোর পরে যত্ন
ট্যাটু করানোর পরেও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত দরকারি। কয়েকটি দিন সুইমিং পুলে না নামা, ট্যাটুর স্থানে সরাসরি সূর্যালোক না লাগানো, প্রসাধনীর ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়া দরকার। যদি কোনও কারণে ট্যাটু করানোর পর জ্বালা যন্ত্রণা হয়, স্থানটি ফুলে ওঠে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
