Tapan | প্রথম দফা মিটলেও খাঁ খাঁ ক্লাসরুম! তপনে পড়াশোনায় ‘ভোট-হ্যাঙ্গওভার’

Tapan | প্রথম দফা মিটলেও খাঁ খাঁ ক্লাসরুম! তপনে পড়াশোনায় ‘ভোট-হ্যাঙ্গওভার’

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


Uploaded By: Sushmita Ghosh

মণিশংকর ঠাকুর, তপন: ভোটের পর স্কুল খুলল সোমবার। মাঝে বেশ কয়েকদিন স্কুল বন্ধ ছিল বলে মনে করা হচ্ছিল প্রথম দিন হয়তো ভিড় করবে পড়ুয়ারা। কিন্তু কোথায় কী! সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন (Tapan) ব্লকের বিভিন্ন নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঘুরে দেখা গেল উপস্থিতির হার তথৈবচ!

জেলায় ভোট পর্ব মিটে গিয়েছে গত ২৩ তারিখে। নির্বাচন (Election) চলাকালীন অধিকাংশ স্কুলকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। একাধিক স্কুলে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র হয়েছিল। তাই সেসব জায়গায় পঠনপাঠন বন্ধ ছিল। ভোটের পর সোমবার স্কুল খুলল। তপন গার্লস স্কুলে মোট ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৮০০। সেখানে এদিন উপস্থিত ছিল ৩০ জনেরও কম। সাধারণ দিনে এই স্কুলে প্রায় ৬০০ জন ছাত্রী উপস্থিত থাকে বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। গরহাজিরা নিয়ে তপন গার্লস স্কুলের টিচার ইনচার্জ কোহিলি গুপ্তা বলেন, ‘স্কুল খোলার বিষয়ে আগেই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সমস্ত ছাত্রীদের জানানো হয়েছিল। তারা আসার ব্যাপারে যথেষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু এদিন ঝড়-বৃষ্টি বা অন্য কোনও কারণে অনেকেই হয়তো আসতে পারেনি।’

একই ছবি তপন হাইস্কুলেও। সেখানে প্রায় হাজার জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে এদিন উপস্থিত ছিল মাত্র ১৫ জন। দাঁড়ালহাট হাইস্কুলে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১১০০ হলেও এদিন উপস্থিত ছিল প্রায় ২০০ জনের কাছাকাছি, যা স্বাভাবিক দিনের তুলনায় অনেকটাই কম। বালাপুর হাইস্কুলেও হাজারখানেক ছাত্রছাত্রীর মধ্যে এদিন উপস্থিতি একশোর নীচে নেমে আসে। করদহ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় ২২০০ ছাত্রছাত্রীর মধ্যে উপস্থিত ছিল প্রায় ৩০০ জন, যা অন্যদিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এর কারণ কী? সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুরজিৎ দাস বলেন, ‘আজকে হয়তো বৃষ্টির জন্য ছাত্রছাত্রী তুলনামূলক কম এসেছে।’

ধাইনগর হাইস্কুলের ব্যাপারটা একটু আলাদা। সেখানে এতদিন কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। তাই ভোট শেষে এই স্বল্প সময়ে স্কুল পুরোপুরি গুছিয়ে তোলা সম্ভব হয়নি। সোমবার স্কুল খোলাই যায়নি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুধীন মণ্ডল বলেন, ‘স্কুলের বেঞ্চগুলো এখনও বাইরে পড়ে রয়েছে। স্কুল চত্বরে একটা প্যান্ডেল বানানো রয়েছে। সেটা খুলতে হবে। তাই এদিন পঠনপাঠন শুরু করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার প্রশাসনের তরফ থেকে স্কুল গুছিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। তাই বুধবার থেকে স্কুল চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

শিক্ষকরা বলছেন, অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবও এই ব্যাপক অনুপস্থিতির একটি কারণ হতে পারে। সেব্যাপারেই কথা হচ্ছিল অভিভাবক বিমল বর্মনের সঙ্গে। তিনি অবশ্য জানতেন যে এদিন থেকে স্কুল খুলবে। তবে বৃষ্টি হতে পারে ভেবে আর ছেলেকে স্কুলে পাঠাননি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *