কলকাতা: সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সরকারি ঘোষণাও হয়নি। তবে সব ঠিকমতো চললে ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে চলেছে টি২০ বিশ্বকাপের আসর। ফাইনাল হওয়ার কথা ৮ মার্চ আহমেদাবাদে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী মোট ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হচ্ছে। প্রতি গ্রুপে থাকবে পাঁচটি করে দল। চার গ্রুপের সেরা দুই দল যাবে সুপার এইট পর্বে। সেখানে আটটি দলকে ফের দুটি গ্রুপে রাখা হবে। দুই গ্রুপের সেরা চার দল খেলবে সেমিফাইনাল।
ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের তরফে আজ মুম্বইয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে আসন্ন কুড়ির বিশ্বকাপ নিয়ে। সেই বৈঠকের পর জানা গিয়েছে, ৮ মার্চ আহমেদাবাদে হবে টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল। যদি পাকিস্তান ফাইনালে ওঠে তাহলে আহমেদাবাদের পরিবর্তে কলম্বোয় হবে টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল। কারণ, ভারতের পাশাপাশি কুড়ির বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কাও। কলম্বো ও ক্যান্ডিতেও বিশ্বকাপের বেশ কিছু ম্যাচ হওয়ার কথা।
কুড়ির বিশ্বকাপ ভাবনার মধ্যেই সামনে এসেছে সেই পরিচিত প্রশ্ন, ইডেন গার্ডেন্সে মোট কয়টি ম্যাচ হবে? জানা গিয়েছে, কুড়ির বিশ্বকাপের একটি সেমিফাইনাল সহ অন্তত চারটি ম্যাচ পাওয়ার আশায় রয়েছে বাংলা ক্রিকেট সংস্থা। বিসিসিআইয়ের একটি বিশেষ সূত্রের দাবি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, চেন্নাইয়ের পাশে কলকাতার নামও ঘুরছে বড় ম্যাচের জন্য। আজ রাতের দিকে সিএবি-র শীর্ষকর্তারাও বিশ্বকাপ আয়োজনের পাশে ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলা ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন। জানা গিয়েছে, সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ইডেনে কুড়ির বিশ্বকাপের বেশ কয়েকটি ম্যাচ নিয়ে আসতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। সচিব বাবলু কোলে রাতের দিকে বলছিলেন, ‘দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ হবে আর ইডেনে বড় ম্যাচ হবে না, এমনটা হয় না। সৌরভ চেষ্টা করছেন বেশ কয়েকটি ভালো ম্যাচ ইডেনে নিয়ে আসার।’
শেষপর্যন্ত বাংলার ক্রিকেট কর্তাদের চেষ্টা সফল হবে কিনা, সময় বলবে। ২০২৩ সালে শেষবার যখন দেশের মাটিতে একদিনের বিশ্বকাপের আসর বসেছিল, তখন ইডেনে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা সহ ম্যাচ হয়েছিল পাঁচটি। এবারও তেমন কিছুর আশায় রয়েছে সিএবি।
