উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘ একযুগের বেশি সময় ধরে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ (Didi No 1) ও রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সমার্থক। তবে শোয়ের সঞ্চালনায় রচনার উত্তরসূরি হিসেবে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় (Swastika Mukherjee) আসতেই শুরু হয় নানামুখী চর্চা। রচনার ‘লিগ্যাসি’ ও জনপ্রিয়তার ভার সামলাতে গিয়ে স্বস্তিকাকে ক্রমাগত সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ট্রোলিং’ ও কটূক্তির মুখে পড়তে হয়েছে। কেউ কেউ তাঁকে ‘রাক্ষসী’ বলেও আক্রমণ করেছেন। তবে নিন্দুকদের এই নেতিবাচকতাকে পাত্তা না দিয়ে বরং মজাদার ও তীক্ষ্ণ ভাষায় জবাব দিয়ে নেটপাড়ায় নজর কাড়লেন স্বস্তিকা (Troll Reply)।
আসন্ন পর্বের একটি প্রোমো শেয়ার করে স্বস্তিকা এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘যে বা যারা আমায় রাক্ষসী বলে ডাকছেন, দয়া করে শাঁকচুন্নিতে শিফট করে যান। শাঁকচুন্নিটা বেশি ভালো। আমি শাঁকচুন্নিদের খুব ভালোবাসি।’ নিজের এই নামকরণের কারণ হিসেবে তিনি ‘কদলীবালা শাঁকচুন্নি’র প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘ওটা আমাকে বেশি মানায়। এবারের দিদি নম্বর ওয়ানের সঞ্চালিকা একজন শাঁকচুন্নি। বলে দেখুন, এটা বেশি ভালো লাগছে।’
স্বস্তিকার এই স্বতঃস্ফূর্ত ও সাহসী উত্তরে মুগ্ধ নেটিজেনদের একটি বড় অংশ। সমালোচনাকে যেভাবে তিনি হাসিমুখে প্রতিহত করেছেন, তা অনেকের কাছেই প্রশংসিত হয়েছে। মন্তব্যবক্সে অনুরাগীদের একাংশ লিখেছেন, ঘরের মেয়ে হিসেবে এমন ‘শাঁকচুন্নি’কেই তাঁরা ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর মঞ্চে দেখতে চান। রচনার সঙ্গে তুলনা এড়িয়ে অনেকে স্বস্তিকার বাচনভঙ্গিমা ও সুন্দর উপস্থাপনার সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বারবার তুলনার মুখে পড়েও স্বস্তিকা প্রমাণ করে দিয়েছেন, নিজের কাজ ও আত্মবিশ্বাসের ওপর ভরসা রাখলে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করা কঠিন নয়। ট্রোলারদের উদ্দেশ্য করে তাঁর এই ‘টিপস’ বুঝিয়ে দিয়েছে, তিনি কেবল একজন ভালো সঞ্চালিকাই নন, বরং নেতিবাচকতাকে ইতিবাচকতায় রূপান্তরের মন্ত্রেও তিনি দক্ষ।

