Swasthya Bandhu Venture | দুয়ারে স্বাস্থ্যবন্ধু প্রকল্প! বাড়িতেই হবে ইউএসজি গর্ভবতীদের

Swasthya Bandhu Venture | দুয়ারে স্বাস্থ্যবন্ধু প্রকল্প! বাড়িতেই হবে ইউএসজি গর্ভবতীদের

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


হরষিত সিংহ, মালদা: প্রত্যন্ত বা দুর্গম এলাকায় গর্ভবতীদের চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে যাবে দরজায়। এমনকি আল্ট্রাসনোগ্রাফি  (ইউএসজি)-এর মতো পরিষেবাও মিলবে বাড়িতে বসেই। সম্প্রতি মালদা জেলায় যে স্বাস্থ্যবন্ধু প্রকল্প চালু হয়েছে, এই পরিষেবা তাতেই নতুন সংযোজন।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবন্ধু প্রকল্প চালু করা হয়েছে বৃদ্ধ, শিশু ও প্রসূতিদের সহজ চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে। এই প্রকল্পের আওতায় মালদা জেলায় মোট ছয়টি ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে। প্রথমদিকে তিনটি ভ্যানে এই পরিষেবা দেওয়া হচ্ছিল। চলতি সপ্তাহ থেকে আরও তিনটি নতুন ভ্যান ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্র হিসাবে কাজ করছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন তিনটি ভ্যান কাজ করবে বাঙ্গিটোলা, হরিশ্চন্দ্রপুর ও বামনগোলা ব্লকের জন্য। আগের তিনটি ভ্যান মানিকচক, গাজোল ও বৈষ্ণবনগর ব্লকে রয়েছে। এই ভ্যানগুলিতে একজন চিকিৎসক, নার্স, ডেটা অপারেটর ও অ্যাটেনডেন্ট থাকছেন। বর্তমানে জেলার যে সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীদের জন্য ইন্ডোর পরিষেবা চালু নেই, সে সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনেই এই ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্র বসানো হচ্ছে। এই চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন রক্তের পরীক্ষা, এক্স-রে, ম্যালেরিয়া রোগ নির্ণয়, প্রেশার, সুগার সহ অন্যান্য পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করাতে পারছেন। এছাড়া ইউএসজি পরিষেবাও মিলছে।

মালদা জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ি বলেন, ‘গর্ভবতীদের জন্য ইউএসজি পরিষেবা চালু হচ্ছে এবার থেকে। প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দাদের খুব সুবিধা হয়েছে এই পরিষেবা চালু হওয়ায়।’

এখনও পর্যন্ত জেলায় ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্রগুলিতে পরিষেবা নিয়েছেন মোট ৪৪৬৫ জন।‌ ল্যাব টেস্ট করিয়েছেন ৪৪৫৪ জন। ইসিজি করিয়েছেন ২৮০ জন। এছাড়া অন্যান্য রোগের চিকিৎসা পরিষেবা ও চোখের আলো প্রকল্পের সুবিধা নিয়েছেন অনেকেই। এই ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্র তৈরির মূল উদ্দেশ্য হল বৃদ্ধ, শিশু ও গর্ভবতীরা যাতে ঘরে বসেই ভালো মানের চিকিৎসা পরিষেবা পেতে পারেন। মালদা জেলায় এখন পর্যন্ত প্রায়ই ৯০০ জন বয়স্ক রোগী এই পরিষেবা নিয়েছেন। পাঁচ বছরের নীচে শিশুদের চিকিৎসা হয়েছে ১৮০ জনের। এবার নতুন সংযোজন গর্ভবতীদের পরিষেবা প্রদান।

বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুদের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে আসা অনেক সময় সম্ভব হয় না। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন সমস্যা থাকায় গর্ভবতীদের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে আসতে সমস্যায় পড়েন পরিবারের লোকেরা। এবার এলাকায় পৌঁছে যাচ্ছে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্র। এই পরিষেবার উপভোক্তা বাবলু রবিদাস বলেন, ‘আমাদের খুব উপকার হচ্ছে। কোথাও চিকিৎসার জন্য যেতে হচ্ছে না। আমি নিজেও রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা করিয়েছি এই ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্রে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *