Suvendu Adhikari | সোমবারই শুভেন্দুর ‘মেগা’ মন্ত্রিসভা গঠন, লোক ভবনে একসঙ্গে ৩৫ মন্ত্রীর শপথ!  

Suvendu Adhikari | সোমবারই শুভেন্দুর ‘মেগা’ মন্ত্রিসভা গঠন, লোক ভবনে একসঙ্গে ৩৫ মন্ত্রীর শপথ!  

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: মে মাসের গোড়াতেই বাংলায় তৈরি হয়েছিল নতুন রাজনৈতিক ইতিহাস। এবার পালা পূর্ণাঙ্গ সরকার পরিচালনার চালিকাশক্তিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার। আগামীকাল, অর্থাৎ জুন মাসের প্রথম সোমবারই রাজ্যে গঠিত হতে চলেছে বিজেপি (BJP) সরকারের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা। খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রবিবার সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে এই মেগা সম্প্রসারণের কথা ঘোষণা করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, সোমবার সকাল ১১টায় রাজভবনের লোক ভবনে (Lok Bhavan) নতুন ৩৫ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করবেন। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন মহামান্য রাজ্যপাল আর এন রবি।

গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে প্রথমবার বাংলায় ক্ষমতায় আসে ভারতীয় জনতা পার্টি। এরপর ৯ মে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। সে দিন তাঁর সঙ্গে আরও ৫ জন মন্ত্রী শপথ নিয়েছিলেন।

তখন থেকেই জল্পনা চলছিল, কবে পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে এই ক্যাবিনেট? গত সপ্তাহে দিল্লির দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের দফায় দফায় বৈঠকের পরই এই জট কাটে। অবশেষে মে মাসের শেষে এসে জুন মাসের প্রথম দিনটাকেই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের ঐতিহাসিক ক্ষণ হিসেবে বেছে নিল পদ্ম শিবির।

নতুন ৩৫ জন সদস্য যুক্ত হলে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বর্তমানের ৬ সদস্যের ছোট ক্যাবিনেট এক ধাক্কায় ৪১ জনে গিয়ে পৌঁছাবে।

ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, কোনও রাজ্যের মোট বিধানসভা আসনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ সদস্যই মন্ত্রী হতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ২৯৪। সেই গাণিতিক হিসেবে রাজ্যে সর্বোচ্চ ৪৪ জন মন্ত্রী হওয়া সম্ভব।

ভোট মেটার পর প্রায় তিন সপ্তাহ সময় নিয়ে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করার পেছনে সুনির্দিষ্ট রণকৌশল রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্য বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, এবারের নির্বাচনে উত্তর থেকে দক্ষিণ— রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলা থেকেই অভূতপূর্ব সমর্থন পেয়েছে বিজেপি। ২০৮ জন দলীয় বিধায়কের মধ্য থেকে এমনভাবে মন্ত্রীদের বেছে নিতে হয়েছে, যাতে:

  • প্রতিটি জেলার যথাযথ এবং সুষম প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা যায়।
  • আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জনজাতির ক্ষোভ-বিক্ষোভকে গুরুত্ব দেওয়া সম্ভব হয়।
  • অভিজ্ঞতা এবং নতুন মুখের সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকে।

কাদের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ছে, অর্থাৎ সোমবার সকাল ১১টায় লোক ভবনে কারা লালবাতি গাড়ির ছাড়পত্র পাচ্ছেন, তা নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে মনে করা হচ্ছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী নতুন মন্ত্রীদের হাতে তাঁদের নির্দিষ্ট দফতরের দায়িত্ব তুলে দিতে পারেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *