Suvendu Adhikari | ‘চোখের জল ছাড়া কিছু দেওয়ার নেই’, কর্ণসুবর্ণে দুর্ঘটনায় স্বজনহারাদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী

Suvendu Adhikari | ‘চোখের জল ছাড়া কিছু দেওয়ার নেই’, কর্ণসুবর্ণে দুর্ঘটনায় স্বজনহারাদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক : গত ১৭ জুলাই, শুক্রবার মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় স্বজনহারাদের পাশে দাঁড়াতে বৃহস্পতিবার সেখানে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন কর্ণসুবর্ণে আয়োজিত সভামঞ্চে ওঠার আগেই তিনি সরাসরি চলে যান নিহতদের পরিবারের সদস্যদের কাছে। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পাশে থাকার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি সমবেদনা জানান। পরবর্তীতে সভামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “চোখের জল ছাড়া আমার ব্যক্তিগতভাবে দেওয়ার কিছু নেই। তবে আমার পক্ষে যা সম্ভব আমি করব।”

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ১ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন, “ছোট ফুলের মতো বাচ্চাগুলো যেভাবে দুর্ঘটনার স্বীকার…। দুঃখপ্রকাশের ভাষা নেই। অর্থ দিয়ে এই ক্ষতি পূরণ হয় না। তবে সরকারের দায়িত্ব রয়েছে। সরকার তা পালন করছে। আমার ব্যক্তিগতভাবে চোখের জল ছাড়া আর কিছু দেওয়ার নেই। তবে রাজ্য অর্থ সাহায্য করছে।”

দুর্ঘটনার পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক তদন্তে রেল এবং পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে যে গেটম্যানের গাফিলতি ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এই অপরাধকে ক্ষমার অযোগ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি কথা দিচ্ছি কঠোরতম শাস্তি পাবে দোষী। অর্থ সাহায্য ছাড়াও পরিবার আমার কাছে কিছু চেয়েছে, আমি আমার দায়িত্ব পালন করব।” সভা শেষে জখমদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যাওয়ার সূচিও রয়েছে তাঁর।

১৭ জুলাই কর্ণসুবর্ণে রেলগেট খোলা থাকা অবস্থায় একটি দ্রুতগতির ট্রেন লাইনে চলে আসে। সেই সময় লাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় একটি পুলকার ও সাইকেল দুমড়ে-মুচড়ে যায়। চার শিশু সহ মোট ৫ জনের মৃত্যু হয় এবং বেশ কয়েকজন মারাত্মক আহত হন। পরবর্তীতে তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত গেটম্যান নেশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকার কারণে সঠিক সময়ে রেলগেট বন্ধ করতে ভুলে যান। ঘটনার পরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয় এবং বহরমপুর থানা তাকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *