Suvendu Adhikari | অভিষেকের হুঁশিয়ারির কড়া জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দিলেন জামানত জব্দের চ্যালেঞ্জ

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: রাজ্য রাজনীতিতে ফের সম্মুখসমরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার পুলিশের বিরুদ্ধে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তুলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন অভিষেক। শুক্রবার জোড়া কর্মসূচি থেকে তার কড়া জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন দুপুরে ‘জনতার দরবার’ থেকে অভিষেকের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘মনে হয়, সোডিয়াম-পটাসিয়ামের সমস্যা হয়েছে। নিউ ইয়র্কে যেতে চাইছেন, যান।  আমরা এনওসি করে দেব। আমরা সব দেখছি।’ এরপর সন্ধ্যায় বারুইপুরের দলীয় সভা থেকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৯৩০ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন অভিষেক। সেই পরিসংখ্যান মাথায় রেখেই ২০২৯ সালের নির্বাচনে তৃণমূল সাংসদের জামানত জব্দের হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘২০২৯ সালে ভোটে দাঁড়াবেন। যত ভোটে জিতেছিলেন, তার চেয়ে একটা হলেও বেশি ভোটে জিতব। সিপিএমের ভোট পেলেও কিচ্ছু করতে পারবেন না।’ একইসঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যে রাজনীতি ছেড়ে দিল্লির দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তাঁর কটাক্ষ, ‘আপনি দিল্লি যান। পশ্চিমবঙ্গে আর আপনার কিছু হবে না।’

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘যাঁরা ভাবছেন শুভেন্দু অধিকারীর অঙ্গুলি-হেলনে কাজ করবেন, প্রত্যেক অফিসারকে সাবধান করে দিয়ে যাচ্ছি, সরকার যখন বদলাবে,তখন কেউ বাঁচাবে না। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যদি ভাবেন কারও পায়ে এসে পড়বেন,আর বেঁচে যাবেন, কেউ বাঁচাবে না! তার দায়-দায়িত্ব আমার!’ একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘আমরা সবাই এখানে থাকব। দু’বছরের মধ্যে কার কী পরিণতি হয় দেখব!’

তৃণমূল সাংসদের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এদিন বারুইপুরের সভা থেকে পাল্টা সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি বলেন, ‘ভোটের সময়ে ডিজে বাজাবেন বলেছিলেন। বিজেপি কর্মীদের জন্য ইলেকট্রিক চুল্লি তৈরির কথা বলেছিলেন। জেনে রাখবেন, আমি আর শমীক ভট্টাচার্যদের কথায় বিজেপির কর্মীরা এখন সংযত রয়েছেন। অন্তত ৪০০ জনকে চমকে-ধমকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এ কথা ভুলে যাবেন না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *