উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবার বিশ্বকাপে নেমেই দেশকে বিশ্বসেরার মুকুট পরিয়েছেন সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav)। কিন্তু ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে জয়ের রাতেও তিনি অবিচল। ট্রফি হাতেই জানিয়ে দিলেন তাঁর পরবর্তী মিশন— ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে (2028 Los Angeles Olympics) সোনা জয় এবং একই বছরে দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026 Champion) ঘরে তোলা।
সাংবাদিক বৈঠকে সূর্য স্পষ্ট জানান, তাঁর খিদে মেটেনি। তিনি বলেন, “সবে তো শুরু। ২০২৮ সালের অলিম্পিক্সে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। আমাদের পরের লক্ষ্য সেখানে সোনা জেতা। পাশাপাশি সেই বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে ‘ব্যাক-টু-ব্যাক’ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যেই আমরা নামব।” ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথমবার অলিম্পিক্সে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে মুখিয়ে রয়েছেন স্কাই।
সাফল্যের নেপথ্যে কোচ গৌতম গম্ভীরের অবদানের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন সূর্য। তাঁর মতে, তাঁদের রসায়ন দীর্ঘদিনের। সূর্য বলেন, “গৌতি ভাইয়ের অধীনে আমি চার বছর খেলেছি। ওঁর ওপর আমার অগাধ আস্থা। আমাদের ভাবনাচিন্তা একই সুতোয় গাঁথা। আমি ওকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করি।”
দলের সংহতি বজায় রাখতে সাজঘরের বাক্স্বাধীনতা যে অপরিহার্য, তাও মনে করিয়ে দেন অধিনায়ক। সূর্য জানান, গত দু’বছর ধরে তিনি দলের জুনিয়র থেকে সিনিয়র— প্রত্যেকের কথা মন দিয়ে শোনেন। এমনকি কারও সমস্যা হলে তাঁকে নৈশভোজে নিয়ে গিয়ে একান্ত আলোচনায় বসেন। সূর্যের কথায়, “সাজঘরে বাক্স্বাধীনতা না থাকলে সেই দল সফল হতে পারে না।”
সাফল্যের দিনেও নিজের ব্যর্থতার কথা ভুলে যাননি সূর্য। গত বছর একটিও অর্ধশতরান না পাওয়ার কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “ক্রিকেটারের জীবনে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতা বেশি আসবে। কিন্তু পরিশ্রম আর নিজের ওপর ভরসা হারানো চলবে না। উত্থান-পতন জীবনেরই অংশ, এটাই এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্র।”
