Supreme Court docket | বিমা ছাড়া তেল মিলবে না পেট্রল পাম্পে? কেন্দ্রকে নয়া প্রকল্পের প্রস্তাব সুপ্রিম কোর্টের

Supreme Court docket | বিমা ছাড়া তেল মিলবে না পেট্রল পাম্পে? কেন্দ্রকে নয়া প্রকল্পের প্রস্তাব সুপ্রিম কোর্টের

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দেশের রাস্তায় বেপরোয়াভাবে চলা বিমাহীন গাড়ির বিরুদ্ধে বড়সড়ো পদক্ষেপের পথে হাঁটতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট! এবার থেকে গাড়ির বৈধ মোটর বিমা না থাকলে (Motor Insurance coverage) পেট্রল পাম্পে মিলবে না জ্বালানি, কেন্দ্রকে (No Insurance coverage No Gas Coverage) এমনই এক যুগান্তকারী পাইলট প্রজেক্টের (Pilot mission) প্রস্তাব দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court docket)।

দেশের সড়ক সুরক্ষা জোরদার করতে এবং বাধ্যতামূলক থার্ড-পার্টি বিমা আইন কঠোরভাবে কার্যকর করতেই এই ভাবনা। ইন্স্যুরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া এবং কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রককে যৌথভাবে এই বিষয়ে একটি বিশেষ পাইলট প্রকল্প তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থায় পেট্রল পাম্পে জ্বালানি দেওয়ার আগেই গাড়ির বিমার বৈধতা যাচাই করা হবে। যদি কোনও গাড়ি বিমাহীন বলে চিহ্নিত হয়, তবে তাকে পেট্রল বা ডিজেল দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হতে পারে। তবে এই মুহূর্তে দেশজুড়ে সমস্ত পেট্রল পাম্পে এই নিয়ম লাগু হচ্ছে না, বিষয়টি কেবল একটি প্রাথমিক পাইলট প্রকল্পের পর্যায়ে রয়েছে।

পাশাপাশি, সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পেশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-প্লাট নম্বর রিকগনিশন বা ANPR ক্যামেরাগুলিকে সরাসরি ‘বাহন’ এবং বিমা ডেটাবেজের সঙ্গে যুক্ত করা, যাতে সড়কে চলাচলকারী বিমাহীন গাড়ি চিহ্নিত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-চালান কাটা যায়। এছাড়া, ট্রাফিক পুলিশকর্মীদের হাতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ বা ডিভাইস তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে রাস্তায় বসেই গাড়ির বিমার স্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি নতুন গাড়ির ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক থার্ড-পার্টি বিমার মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে নতুন চার চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে তা তিন বছর থেকে বাড়িয়ে চার বছর এবং দু’চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ছয় বছর করার কথা বলা হয়েছে।

আদালতের মতে, এই বহুমুখী ব্যবস্থার ফলে বিমাহীন গাড়িগুলোকে সহজে ট্র্যাক করা যাবে এবং পথদুর্ঘটনার শিকার হওয়া সাধারণ মানুষের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা সহজ হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *