Sourav Ganguly | বাংলা থেকে আরও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বেরোবে : সৌরভ

Sourav Ganguly | বাংলা থেকে আরও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বেরোবে : সৌরভ

ব্লগ/BLOG
Spread the love


কলকাতা: আক্ষরিক অর্থে তারকা সমাবেশ। তারকাদের উপস্থিতিতে মধ্যমণি সেই বাংলা ক্রীড়াজগতের সেরা আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কার্যত এলেন, দেখলেন, ছেয়ে থাকলেন। তাঁর মাঝেই বাংলার উঠতি প্রতিভাদের উৎসাহ দিয়ে সৌরভ-বাণী, ‘বাংলা থেকে আরও অনেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বেরিয়ে আসবে।’

ঝলমলে সান্ধ্য অনুষ্ঠানে সৌরভের পাশাপাশি ছিলেন ভারতীয় ক্রীড়াজগতের দুই নক্ষত্র লিয়েন্ডার পেজ ও দিলীপ তিরকে। প্রথমজন বিশ্ব টেনিসের মঞ্চে ভারতীয় তেরঙা উড়িয়েছেন বারবার। দিলীপ তিরকে সেখানে দীর্ঘদিন সামলেছেন জাতীয় হকি দলের নেতৃত্ব। কৃতী দুই তারকার হাতে জীবনকৃতি সম্মান তুলে দেওয়া হল কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিকদের তরফে। সৌরভ, তিরকে, পেজ-তিন কিংবদন্তি ভাসলেন অতীতে। সাফল্যের কথা, উঠে আসার কথা শোনালেন। উৎসাহ জোগালেন সামনে দর্শকের সারিতে থাকা একঝাঁক উঠতি প্রতিভাদের।

বর্ষসেরা সম্মান পেলেন ভারতীয় দলের পেসার আকাশ দীপ। অনুষ্ঠানের সূচনা লগ্নে মূল মঞ্চে ছিলেন না আকাশ। সৌরভ ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে মঞ্চে ডেকে নেন। পুরস্কার পেলেন টেবিল টেনিসে এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ জয়ী, অর্জুন পুরস্কারপ্রাপক ঐহিকা মুখোপাধ্যায়। সুপার কাপে খেলার ব্যস্ততার কারণে বর্ষসেরা পুরস্কার অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি মোহনবাগান অধিনায়ক শুভাশিস বসু। সংবর্ধিত হন ডায়মন্ড হারবার এফসি-র কোচ কিবু ভিকুনা। সবমিলিয়ে চাঁদের হাট। যা স্পর্শ করছিল সৌরভ, লিয়েন্ডার, তিরকেদের।

তিনজনই মাতলেন অতীত স্মৃতি, কলকাতা আবেগে। সাতবারের অলিম্পিয়ান, অলিম্পিক ব্রোঞ্জ জয়ী লিয়েন্ডার বলেছেন, ‘যে কয়েক দশক টেনিস খেলেছি, হৃদয়জুড়ে ছিল কলকাতা। প্রয়াত বাবাকে অনুসরণ করেছি আমি। আমার বিশ্বাস বাংলার প্রতিটি বাচ্চা অলিম্পিক পদক জেতার ক্ষমতা রাখে।’ দিলীপ তিরকের বর্ণময় জার্নির অনেকটা জুড়ে রয়েছে ‘সিটি অফ জয়’। সবার সঙ্গে এদিন যা ভাগ করে নিলেন।

দিলীপ তিরকে বলেন, ‘আমার বাড়ি ওডিশার সুন্দরগড়ে হলেও ১৯৯১-’৯২ সালে কলকাতায় দেড় বছর কাটিয়েছি সাই ক্যাম্পাসে। সেই থেকে এই শহরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক। সৌরভ আছে এখানে। লিয়েন্ডারও। সবাই মিলে ক্রীড়া উন্নয়নে কাজ করতে চাই।’ সৌরভের মুখে কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের তরফে পাওয়া অনূর্ধ্ব-১৭-র বর্ষসেরা পুরস্কার পাওয়ার কথাও উঠে এল। বলেছেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৭-য় বর্ষসেরা হয়েছিলাম। আজ যাঁরা পুরস্কার পেলেন, তাদের অভিনন্দন, শুভেচ্ছা আগামীর সাফল্যের। আশা করব, বাংলা থেকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন তৈরি হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *